নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শফিকুল ইসলাম (৪৫) নামে একজন পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। দুর্গাপুর পৌর শহরের উকিলপাড়ায় গলি দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ওপর হামলা হয়। রাতেই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শফিকুল ইসলাম (৪৫) জামালপুর সদর থানায় এসআই পদে কর্মরত ছিলেন। এদিকে নেত্রকোনা সদরের বড়বাজার এলাকার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক দিলীপ কুমার সাহার (৭১) লাশ গতকাল তালাবদ্ধ ঘরে খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ তার মৃত্যুর কারণ জানাতে পারেনি। বড়বাজার এলাকায় নিজ বাসায় দিলীপ একাই থাকতেন। তার বাড়ি কুমিল্লা হলেও বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি এলাকায় জায়গা কিনে বাসতি গড়েন। তার স্ত্রী ছিলেন ঢাকায় ছেলের বাসায়।
এসআই হত্যার ঘটনায় ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে শফিকুলের বাবা রফিকুল ইসলাম থানায় মামলা করেছেন। কলেজশিক্ষকের ছেলে ঢাকা থেকে আসার পর মামলা হবে জানা গেছে।
জানা যায়, দুর্গাপুরের নোয়াগাঁও এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে শফিকুল ইসলাম জামালপুর সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ময়মনসিংহ যাওয়ার উদ্দেশে ছুটি নিয়ে বাড়ি এসেছিলেন তিনি। শুক্রবার (গতকাল) ময়মনসিংহ যাওয়ার কথা ছিল তাদের। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শফিকুল একা হেঁটে যাওয়ার সময় তিন-চারজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে কোপানোর সময় তিনি পালাতে চেষ্টা করেছেন।
শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে বাসায় এসে কলেজশিক্ষক দিলীপ কুমারকে ডাকাডাকি করেন স্ত্রী দীপা রানী। একপর্যায়ে বাইরে থেকে তালা দেখেন। তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখেন খাটের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন দিলীপ। দ্রুত হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।