সিলেটে ছয় দিনের মধ্যে যুবদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনকে চাঁদাবাজি ও একজনকে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সর্বশেষ গত বুধবার রাতে সিলেট জেলা যুবদলের সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক কাওছার আহমদ জুম্মানকে কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিন আগে নগরীর কুয়ারপাড় এলাকার একটি বাসায় গিয়ে কয়েকজন যুবক চাঁদা দাবি করে। এ ঘটনায় বাসার মালিকের পক্ষ থেকে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়। ওই বাসায় চাঁদা দাবির অভিযোগে জেলা যুবদলের সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক কাওছার আহমদ জুম্মানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
এর আগে গত মার্চ দল থেকে বহিষ্কার করা হয় জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন আহমদকে। ৫ ফেব্রুয়ারি নগরীর বনকলাপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে ৩ সহযোগীসহ ইমাদকে আটক করেছিল যৌথবাহিনী।
এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশিয় অস্ত্র ও মাদক সেবনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছিল।
সিলেট নগরীর ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় ও দুই হকারকে অপহরণের ঘটনায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে বহিষ্কার করা হয় মহানগর যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ চৌধুরী মাধবকে। পরে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ বলেন, যুবদলে কোন অপরাধীর ঠাঁই নেই এ ব্যাপারে কেন্দ্র ও সিলেট যুবদল ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে আছে। কেউ অপকর্ম করে পার পাবে না।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ