গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে ২০২৫ সেশনে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) প্রশাসন। কিন্তু ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে শিক্ষার্থীদের সুযোগসুবিধা না বাড়িয়ে আসন বাড়ানোসহ বিভিন্ন কোটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
তবে নিয়মকানুন মেনেই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান হাবিপ্রবি রেজিস্টার অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, সেশনজট কাটিয়ে উঠতে এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। নেওয়া হয়নি তেমন কোনও পদক্ষেপ। শিক্ষক সঙ্কট, আবাসন এবং পরিবহনসহ নানা সঙ্কটে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। এগুলো নিরসন করার কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
এদিকে, গত ২৬ জানুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে মোট আসনের অতিরিক্ত হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানের জন্য ৫%, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জন্য ১% আসন বরাদ্দ রাখা হয়। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ২ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানের (পোষ্য কোটা) জন্য ১%, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক শুধুমাত্র বিকেএসপি থেকে পাশ করা ছাত্রছাত্রীদের মধ্য থেকে ৫টি আসন এবং বিদেশি ছাত্রছাত্রীদের জন্য মোট ৮০টি আসন সংরক্ষিত থাকবে।
এ ব্যাপারে হাবিপ্রবির ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির জানান, কোটার ক্ষেত্রে সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আর পোষ্য কোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সুবিধা। এটি অন্য বিশ্ববিদ্যালয়েও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে এ কোটা কোনো ভাগ বসাবে না, এটা মূল আসনের বাইরে। দেশের শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে এ বছর ২৭০টি অতিরিক্ত আসন বাড়িয়ে মোট ১৭৯৫ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ৪টি ইউনিটে ৮টি অনুষদের স্বতন্ত্র ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ