করাচি থেকে দুবাই, সেখান থেকে রাওয়ালপিন্ডি। ৭ দিনে তিন ম্যাচের জন্য এই পথ পাড়ি দিতে হয়েছে পাকিস্তানকে। বাংলাদেশকে যেতে হচ্ছে দুবাই থেকে রাওয়ালপিন্ডি। এমনকি অন্যান্য সব দলকেই ছুটতে হচ্ছে এক ভেন্যু থেকে আরেক ভেন্যুতে। সেখানে ভারত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলছে কেবল এক ভেন্যুতেই। যেখানে থাকছে না কোনো ভ্রমণক্লান্তি।
ইনিয়ে-বিনিয়ে বলছেন কেউ, কেউবা সরাসরি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরুর আগে থেকেই সমালোচনা—ভারত কি তবে বেশি সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে না?
ভারতের এই বাড়তি সুবিধা নিয়েই কথা উঠছে। সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টিকে থাকার ম্যাচে নামার আগে জশ বাটলারও সেই সুরে সুর মিলিয়েছেন। ইংল্যান্ডের অধিনায়কের মতে, এই টুর্নামেন্টটি আজব।
কী কারণে এমন মন্তব্য, সেটির ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক, ‘এটা একটা আজব টুর্নামেন্ট। তাই না? কেউ পাকিস্তানে খেলছে। একটা দল খেলছে অন্য জায়গায়।’ তবে বাটলারের পুরো চিন্তা জুড়ে আপাতত আফগানদের বিপক্ষে বাঁচা মরার লড়াই, ‘সেটা নিয়ে আপাতত ভাবছি না। আমরা এখন আফগানিস্তানের ম্যাচ নিয়েই ভাবছি।’
এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন নিয়ে জলঘোলা হয়েছে প্রচুর। ভারত প্রথমে গোঁ ধরে বসেছিল, তারা পাকিস্তানের মাটিতে যাবে না। পাকিস্তান বলেছিল, সব দলকেই তাদের দেশে খেলতে হবে। এই নিয়েই দফায় দফায় বৈঠক চলে। একসময় শঙ্কা জাগে আট জাতির টুর্নামেন্টটি মাঠে গড়ানো নিয়েও। তবে সব কেটে যায় হাইব্রিড মডেল ইস্যুতে।
হাইব্রিড মডেলে ভারতের সব ম্যাচ দুবাইয়ে। এমনকি রোহিতরা ফাইনালে উঠলে খেলাটি দুবাইতেই হবে। তখন থেকেই অভিযোগ, বাড়তি সুবিধা নিয়েছে ভারত। দুবাইয়ের চেনা মাঠ এবং ট্রাভেলের ঝক্কি না থাকায় রোহিতরা থাকবেন ফুরফুরে। অন্যরা ক্লান্ত হয়ে লড়বেন একবার দুবাইয়ে অন্যদিন পাকিস্তানে। যদিও মেগা টুর্নামেন্টের স্টেকহোল্ডারদের মতামত অনুসারেই সূচি তৈরি হয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ