ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ‘বি’ গ্রুপের সেমিফাইনালের সমীকরণ জমিয়ে তুলেছিল আফগানিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পরপরই রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী, হাশমতউল্লাহ শাহিদি, ইব্রাহিম জাদরানদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মূলত শেষ হয়ে যায়। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে একটি কঠিন সমীকরণ কাজ করছিল। ইংলিশদের কাছে আকাশসমান ব্যবধানে হারতে হতো প্রোটিয়াদের। কিন্তু ইংল্যান্ডকে ১৭৯ রানে গুটিয়ে ব্যাটিংয়ে নামার আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। অবশ্য দিন শেষে এই সমীকরণ আর কাজ করেনি। সরাসরি ম্যাচ জিতেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। করাচি ন্যাশনাল ব্যাংক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ে ৩ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টেম্বা বাভুমার দল। গতকাল বিশ্রামে ছিলেন বাভুমা। তার পরিবর্তে দক্ষিণ আফ্রিকাকে নেতৃত্ব দেন এইডেন মার্করাম। ইংল্যান্ডার অধিনায়ক হিসেবে জশ বাটলারের শেষ ম্যাচ ছিল এটি। ‘বি’ গ্রুপ থেকে সেমিফাইনাল খেলছে অস্ট্রেলিয়া। ‘এ’ গ্রুপের সেমিফাইনালের দল দুটি নিউজিল্যান্ড ও ভারত। আজ দুই দল গ্রুপ শীর্ষে ওঠার ম্যাচে মুখোমুখি হবে। প্রথম ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ড ৩৮.২ ওভারে ১৭৯ রান করে। দলটিকে গুঁড়িয়ে দেন দুই প্রোটিয়া বোলার মার্কো জেনসেন ও উইয়ান মুল্ডার। দুজনের সাঁড়াশি আক্রমণে কোনো ইংলিশ ব্যাটার পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস খেলতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন সাবেক অধিনায়ক জো রুট। অধিনায়কত্বের শেষ ম্যাচে বাটলার খেলেন ২১ রানের ইনিংস। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন জোফরা আর্চার। ৩টি করে উইকেট নেন জেনসেন ও মুল্ডার। ২ উইকেট নেন বাঁ-হাতি স্পিনার কেশব মহারাজ। টার্গেট ১৮০ রান। দুই প্রোটিয়া ১১ রান যোগ করে বিচ্ছিন্ন হন। ট্রিস্টান স্টাবসের বিদায়ের পর রায়ান রিকেলটন ও ভ্যান ডার ডুসেন যোগ করেন মাত্র ৩৬ রান। রিকেলটনের বিদায়ের পর ভ্যান ডার ডুসেন ও হেনরিখ ক্লাসেন তৃতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ২০.২ ওভার বা ১২২ বলে ১২৭ রান। ক্লাসেন আউট হন ব্যক্তিগত ৬৪ রানে। ডুসেন অপরাজিত থাকেন ৭২ রানে। ৮৭ বলের ইনিংসটিতে খেলেন ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম সেমিফাইনাল ৪ মার্চ দুবাই এবং ৫ মার্চ লাহোরে। ফাইনাল লাহোরে ৯ মার্চ।