রেকর্ডের ‘বরপুত্র’ বিরাট কোহলি। ‘মরুশহর’ দুবাইয়ে গতকাল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে দু-দুটি বিশ্বরেকর্ড গড়েন কোহলি। দুটিই গড়েন বাউন্ডারি মেরে। প্রথম বাউন্ডারি মেরে ক্রিকেট ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলেন। দ্বিতীয় বাউন্ডারিতে নিজেকে নিজে পেছনে ফেলেন। সাবেক অধিনায়কের জোড়া বিশ্বরেকর্ডের দিনে ভারত ৪৫ বল হাতে রেখে পকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালের পথে এক পা দিয়ে ফেলেছে। একই সঙ্গে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে হারের প্রতিশোধও নিয়েছে। বাংলাদেশকে হারানোর তৃপ্তি নিয়ে গতকাল খেলেছে ভারত। পাকিস্তান খেলে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের তিক্ত স্বাদ নিয়ে। দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে টস জিতে প্রথম ব্যাটিংয়ে ৪৯.৪ ওভারে ২৪১ রান করে পাকিস্তান। ২৪২ রানের টার্গেটে ভারতের ইনিংস কোহলির ইতিহাস। অধিনায়ক রোহিত শর্মার বিদায়ের পর ষষ্ঠ ওভারে ব্যাটিংয়ে নামেন কোহলি। মাঠ ছাড়েন বাউন্ডারি মেরে। ১১১ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ১০০ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংসের পুরোটাই ছিল ক্যালকুলেটিভ। জিততে দলের প্রয়োজন ২ রান এবং সেঞ্চুরি পেতে কোহলির দরকার ৪ রান। খুশদিল শাহকে নিজের ‘ট্রেডমার্ক’ শট কাভার ড্রাইভে বাউন্ডারি মেরে ৯৬ থেকে ১০০ রানে পৌঁছান। এটা তার ক্যারিয়ারের ৫১তম সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা টেন্ডুলকারের সেঞ্চুরি ৪৯টি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টেন্ডুলকারের সেঞ্চুরি ১০০টি। কোহলির সেঞ্চুরি ৮২টি। গতকাল সাবেক অধিনায়ক খেলেন দ্রুততম ১৪ হাজার ক্লাবে নাম লেখাতে। পাকিস্তান ম্যাচের আগে রান ছিল ১৩৯৮৫। রেকর্ড গড়তে দরকার ছিল ১৫ রান। ভারতের ইনিংসের ১৩তম ওভারে দ্বিতীয় বলে হারিস রউফকে লং অফে বাউন্ডারি মেরে ১৪ হাজার রানের ক্লাবে নাম লেখেন। ভেঙে দেন টেন্ডুলকারের রেকর্ড। টেন্ডুলকার ১৪ হাজার রান করেন ৩৫০ ইনিংসে। কোহলি করেন ২৮৭ ইনিংসে। কোহলির রান বর্তমানে ১৪০৮৫। টেন্ডুলকারের রান ১৮৪২৬ এবং কুমার সাঙ্গাকারার রান ১৪২৩৪।