গত কয়েক সপ্তাহে নারী ফুটবল নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি। ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলারের অধীনে অনুশীলন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সিনিয়র ১৮ নারী ফুটবলার। টানা দুটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা নারী ফুটবলারদের এমন বিদ্রোহে বেশ সাড়া পড়ে যায় ফুটবল পাড়ায়। ঘটনার পেছনের ঘটনা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন অনেকে। এতে কেউ কোচকেই দুষেছেন। আবার কেউ বলেছেন, সাবিনাদের এসব বাড়াবাড়ি। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সবকিছু তদন্ত করে দেখার জন্য একটা কমিটিও করেছে সিনিয়র সহসভাপতি ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে। সবকিছু জেনে বাফুফে সভাপতি নারী ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন। প্রথম দিকে বিদ্রোহের পথে অটল থাকার কথা বললেও ধীরে ধীরে বরফ গলেছে। এরই মধ্যে নারী ফুটবলারদের চুক্তিবদ্ধ করেছে বাফুফে। সেই চুক্তিতে রাখা হয়নি ১৮ সিনিয়র ফুটবলারকে। তবে এ অচলাবস্থা কেটে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। অনুশীলনে ফিরতে রাজি হয়েছেন নারী ফুটবলাররা। গতকাল বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারপারসন মাহফুজা আক্তার কিরণ সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন।
‘মেয়েরা অনুশীলনে ফিরতে চেয়েছে। তবে এখনই না। তারা কিছুটা বিশ্রাম চেয়েছে। আরব আমিরাত থেকে দল ফেরার পর আবার যখন ক্যাম্প শুরু হবে তখন তারা ফিরবে এবং অনুশীলন করবে। তখনই চুক্তি হবে।’ এভাবেই বললেন মাহফুজা আক্তার কিরণ। তবে বিষয়টি এখনো সমাধান হয়নি। কোচ পিটার বাটলার জুনিয়র ফুটবলারদের নিয়েই দল গঠনের কাজ করে যাচ্ছেন। অনুশীলন করছেন। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে বাংলাদেশ নারী দল যাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেখানে ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ২ মার্চ দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে (বাংলাদেশ-আরব আমিরাত)। এই ম্যাচ দুটিতে দেখা যাবে না সাবিনাদের। তা ছাড়া কোচের সঙ্গেও এখনো আলোচনা হয়নি। কোচও হার্ডলাইনে ছিলেন। সাবিনাদের বিদ্রোহের পর তিনিও বলেছিলেন, তাদের অনুশীলন করাবেন না। কিরণ বলেন, ‘মেয়েদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। কোচের সঙ্গে কথা হয়নি।’ নারী ফুটবলাররা রাজি, এবার কোচ রাজি হলেই হয়।