২০০৮-০৯ মৌসুমের পর প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে আর চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মোহামেডান। সাফল্যের দিক দিয়ে আবাহনী তাদের অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে। গত মৌসুমে অনেকদিন পর সাদা-কালোরা রানার্সআপ হয়েছিল। মোহামেডান এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায়। আসছে লিগে শিরোপা জিততে শক্তিশালী দল গঠন করবে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ দুই বছর ধরেই মোহামেডানে খেলছেন। এবারও তাঁর থাকা চূড়ান্ত। শুধু তাই নয়, ফিরছেন জাতীয় দলের সাবেক দুই অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবাল। তরুণ ক্রিকেটার তাওহিদ হৃদয়ের যোগ দেওয়া নাকি নিশ্চিত।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের আগের সেই জনপ্রিয়তা না থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে বরাবরই এর গুরুত্ব রয়েছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রগতির পেছনে এ লিগের ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ লিগে নিজেদের প্রমাণ করে ক্রিকেটাররা যেমন তারকা খ্যাতি পেয়েছেন, তেমন জাতীয় দলেও সুযোগ পেয়েছেন। অথচ প্রিমিয়ার লিগেরই বিসিবি কর্মকর্তাদের কাছে তেমন গুরুত্ব নেই। এর পরও ক্লাবগুলো থেমে নেই, লিগে তারা সেরা দল গড়তে প্রতিযোগিতায় নামে। বিপিএল শেষের পর প্রিমিয়ার লিগে ঘর গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কর্মকর্তারা। ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি দুই দিনব্যাপী দলবদলের কর্মসূচি চলার সম্ভাবনা রয়েছে। ৩ মার্চ পর্দা উঠতে পারে প্রিমিয়ার লিগের। তবে শীর্ষস্থানীয় ক্লাবগুলো তার আগে থেকেই খেলোয়াড় সংগ্রহে নেমে পড়েছে। প্রথম দিকে শোনা যাচ্ছিল চ্যাম্পিয়ন আবাহনী মাঝারি মানের দল গড়বে। এজন্য তারা কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনকে ছেড়ে দেয়। এখন হান্নান সরকারকে কোচের দায়িত্ব দিয়ে শক্তিশালী দলই গড়ছে। জাতীয় দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোসাদ্দেক সৈকত আবাহনীতে খেলবেন তা অনেকটা নিশ্চিত।
প্রিমিয়ার ব্যাংকও শক্তিশালী দল গড়ছে। সবকিছু মিলিয়ে নতুন মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা জেতার জন্য চার-পাঁচটি দল তারকা ক্রিকেটার টানতে ব্যস্ত। এর মধ্যে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জও রয়েছে। জাকের আলী ও অনীককে এখানেই দেখা যেতে পারে। জানা গেছে, ক্রিকেটে মোহামেডান যার মাধ্যমে শক্তিশালী দল গড়ত সেই সংগঠক আগ্রহী হওয়ায় নাকি বিগ বাজেটের দল গড়া সম্ভব হচ্ছে।