শেষ পর্যন্ত কী হবে নারী ফুটবলে? উভয় পক্ষকে বসিয়ে সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতির অবসান ঘটাবে নাকি ঝুলে থাকবে? আসলে কোথায় গিয়ে জটিলতা দূর হবে বলা মুশকিল। অবশ্য বিশেষ কমিটি সমাধানের ব্যাপারে আশাবাদী। এক সদস্য বলেছেন, ‘আন্দোলনরত খেলোয়াড় ও কোচের সঙ্গে আলাপ করে আমরা বুঝতে পেরেছি সমস্যা বা জটিলতা বড় ধরনের নয়। দুই পক্ষে যা ঘটছে তা মান-অভিমানই বলা যায়। উভয় পক্ষকে ডেকে সমাধান সম্ভব।’ তিনি যতটা সহজ মনে করছেন, বাস্তবে কি সেই অবস্থা আছে? কেননা, সিনিয়র ফুটবলাররা এখনো বলছেন, তারা পিটার বাটলারকে কোচ মানেন না। সে সঙ্গে গণ অবসরের হুমকি তো আছেই।
অন্যদিকে কোচ বাটলারও তার সিদ্ধান্তে অটল। তিনি বিশেষ কমিটির কাছে বলে এসেছেন চিহ্নিত উসকানিদাতা সাত ফুটবলার থাকলে তিনি দায়িত্বে থাকবেন না। ফিরে যাবেন দেশে। গতকাল সাংবাদিকদের কাছে জোড়ালো কণ্ঠে একই কথা বলেছেন। বাফুফে এ নিয়ে উভয় সংকটে পড়ে গেছে। এখন দুই পক্ষের জেদ কীভাবে সামাল দেবে? শৃঙ্খলা ভাঙার কারণে কারও বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাওয়া সম্ভব নয়। তাহলে কি এর কোনো সমাধান নেই। অস্থিরতা থামবে না?
নারী ফুটবলাররা যে কারণে বাটলারকে চাচ্ছেন না, তা হাস্যকর বলেই মন্তব্য করেছেন বিশেষ কমিটির ওই সদস্য। আসলেও বাস্তবতা কিন্তু তাই। দলে কারা খেলবে বা পজিশন ঠিক করবে কোচই। তার সঙ্গে চুক্তি করেই তো নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখানে তো খেলোয়াড়দের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই। অতীতে এ ধরনের ঘটনা না হলেও শৃঙ্খলা ভাঙার অভিযোগে বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার এমনকি কোচও শাস্তি পেয়েছেন। এখন তা অস্বাভাবিক। বিশেষ করে নারী ফুটবলারদের বেলায়। এখন তো সাফল্য মানেই নারীরা। সে ক্ষেত্রে সবকিছু সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের। তাহলে কি এ পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়?