হাতে আছে ছয় বল। দুর্বার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৭ রান। শেষ ওভারে স্ট্রাইকিংয়ে থেকে ৬ বলে ৯ রান করলেন এনামুল হক বিজয়। রাজশাহীর অধিনায়ক বিজয়ের সেঞ্চুরি পূর্ণ হতে ওই ৯ রানেরই প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেঞ্চুরি করেও উদযাপন করতে পারলেন না তিনি। করবেন কী করে! তার দল রাজশাহী হেরে গেছে মাত্র ৭ রানে। ২১০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২০২ রানে শেষ হয় বিজয়দের ইনিংস।
গতকাল দুর্দান্ত এক ম্যাচ দেখল দর্শক। দুই দলই দুইশোর্ধ্ব ইনিংস খেলল। ইনিংস দুটির যোগফল ৪১১। চলমান বিপিএলে এর চেয়ে বেশি রান আছে কেবল রংপুর রাইডার্স-সিলেট স্ট্রাইকার্সের। সেই ম্যাচে ৪১৫ রান হয়েছিল। সিলেট করেছিল ২০৫। রংপুর করে ২১০। সেই ম্যাচের পর আরও একটা রোমাঞ্চকর ম্যাচ উপহার দিল বিপিএল। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে আফিফ (৫৬), উইলিয়াম বোসিসতো (৫৫), মাহিদুলের (৩০) ব্যাটিংয়ে ২০৯ রান করে খুলনা টাইগার্স। তবে দুর্বার রাজশাহীও কম করেনি। এনামুল হক বিজয় মাত্র ৫৭ বলে ১০০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৯টি চার ছাড়াও ৫টি ছক্কা হাঁকান তিনি। সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারলেন না। তবে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। হার না মানা ইনিংসের জন্য প্রতিপক্ষ খুলনার অধিনায়ক মিরাজও প্রশংসা করেছেন বিজয়ের। রাজশাহীর জয়ের পথে বড় বাধা ছিলেন হাসান মাহমুদ। তিনি ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হন। শেষ ওভারে তিনিই ১৭ রান ডিফেন্ড করে ৭ রানের জয় এনে দেন।