ফেডারেশন কাপে চট্টগ্রাম আবাহনীকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল ঢাকা মোহামেডান। গতকাল পেশাদার ফুটবল লিগে আবারও দুই দলের দেখা। এ ম্যাচে মোহামেডান জয় পাবে এ নিয়ে সংশয় ছিল না কারও। অথচ পয়েন্ট একেবারে তলানিতে থাকা চট্টগ্রাম আবাহনীর জালে প্রথমার্ধে বলই জড়াতে পারেননি আলফাজের শিষ্যরা। তারপর আবার ২০ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সাদা-কালো শিবির। মারাত্মক ফাউল করার অপরাধে শাকিল আহাদ তপুকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। একে তো প্রথমার্ধে গোলশূন্য, তার ওপর আবার ১০ জন- এ নিয়ে কিছুটা হলেও চিন্তিত ছিলেন সমর্থকরা। যদি চট্টগ্রাম আবাহনীর মতো দুর্বল দলের কাছে পয়েন্ট হারায় তাহলে আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরতে পারে।
যাক, শেষ পর্যন্ত অঘটন ঘটেনি। মোহামেডান সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে। গতকাল ময়মনসিংহ রফিক উদ্দিন ভূ্ইঁয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তারা ৫-১ গোলে হারায় চট্টগ্রাম আবাহনীকে।
টানা ছয় জয়ে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল ঐতিহ্যবাহী দলটি। আগের ম্যাচের মতো সুলেমান দিয়াবাতেকে গতকালও মাঠে নামানো হয়নি। দুর্বল প্রতিপক্ষের কারণে বিশ্রামে রাখা হয় মালির এ ফরোয়ার্ডকে। সত্যি বলতে কি, প্রথমার্ধে মোহামেডান তেমন জোরালো আক্রমণ করতে পারেনি। তবে অধিকাংশ সময় বল ছিল তাদের পায়েই। দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জন নিয়ে খেলেও মোহামেডান একের পর এক আক্রমণ করে বন্দরনগরের দলটিকে দিশাহারা করে রাখে। শুরুতেই স্বস্তি ফিরে আসে মোহামেডান শিবিরে। মোজাফফরের কর্নারে কুলদিয়াতি হেডে গোল করে মোহামেডানকে এগিয়ে রাখেন। ৫৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সানডে। ৬৩ মিনিটে সৌরভ দেওয়ান দলের তৃতীয়, ৮৫ মিনিটে আত্মঘাতী ও ৯০ মিনিটে সৌরভ নিজের দ্বিতীয় ও দলের শেষ গোলটি করেন। যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান আবাহনীর ইমতিয়াজ সুলতান জিতু।