দলের ক্রান্তিকালে অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন ঢাকা ক্যাপিটালের অধিনায়ক থিসারা পেরেরা। ইনিংসটি আবার তিন অংকের জাদুকরী ইনিংস। খুলনা টাইগার্সের বিরুদ্ধে ৬০ বলে ৯ চার ও ৭ ছক্কায় ১০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেও পেরেরার ঢাকা ক্যাপিটাল জিততে পারেনি। হেরেছে ২০ রানে। ঢাকার হার এবং খুলনার জয়ে শেষ হয়েছে বিপিএলের ঢাকা পর্ব। সিলেটে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ৬ জানুয়ারি। ১৬ জানুয়ারি তৃতীয় পর্ব শুরু হবে চট্টগ্রামে। চতুর্থ ও ফাইনাল পর্ব ঢাকায় শুরু হবে ২৬ জানুয়ারি। ঢাকা পর্বের শেষ দিনে চিটাগং কিংস ও দুর্বার রাজশাহী ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা মিলেছে। চিটাগংয়ের পাকিস্তানি ক্রিকেটার উসমান খান সেঞ্চুরি করেন। রাতের ম্যাচেও সেঞ্চুরি হয়েছে। এক দিনে দুই সেঞ্চুরি হয়েছে বিপিএলে।
গতকাল কুয়াশাঢাকা সন্ধ্যায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে মেহেদি হাসান মিরাজের খুলনা। ঢাকা তৃতীয় ম্যাচ খেলে সবগুলো হেরেছে। খুলনা দুই ম্যাচে দুটিই জিতেছে। মিরাজের খুলনা প্রথম ম্যাচে জিতেছিল চিটাগং কিংসের বিরুদ্ধে। গতকাল জিতল ঢাকার বিরুদ্ধে। ঢাকা হেরেছে রংপুর রাইডার্স, দুর্বার রাজশাহীর পর চিটাগংয়ের কাছে। রাতের খেলায় খুলনার ৮ উইকেটে ১৭৩ রানের জবাবে ঢাকার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৫৩ রান। সন্ধ্যার ম্যাচে টস জিতে ঢাকার অধিনায়ক থিসারা ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান মিরাজের খুলনাকে। মিরাজ বাহিনীর দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাইম ও উইলিয়াম বসিস্টো ৪.৫ ওভারে ৪৯ রানের ভিত দেন। তখন মনে হচ্ছিল দিনের প্রথম ম্যাচের মতো বড় স্কোর হবে। ম্যাচে দুই ওপেনারের গড়া ভিতকে কাজে লাগাতে পারেননি খুলনার অপরাপর ব্যাটাররা। নাইম ১৭ বলে ৭ চারে ৩০ রান করেন। বসিস্টো ২৬ রান করেন ২৮ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায়। এরপর ছন্দ হারিয়ে ফেলেন খুলনার অপরাপর ব্যাটাররা। শেষ দিকে মাহিদুল ইসলাম অংকন চেষ্টা করেন দলের স্কোর বড় করতে। অংকন ৩২ রানের ইনিংস খেলেন ২২ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায়।