ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫১৯ ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ৬ হাজারের বেশি শিক্ষক এমপিওভুক্ত হচ্ছেন। তাদের এমপিওভুক্তির প্রস্তাবের ফাইলে শেষদিন বুধবার স্বাক্ষর করে গেছেন বিদায়ী শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিদায়ী উপদেষ্টা ইবতেদায়ী শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির প্রস্তাবের ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন। ফাইলটি এখন প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের অনুমতির জন্য পাঠানো হবে। তিনি সদয় অনুমতি দিলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করা হবে।
সচিব বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় চলতি বছরের বাজেট বরাদ্দ থেকে অর্থ ছাড়ের আশ্বাস দিয়েছে। মে মাসের বেতন যেন শিক্ষকরা পান সেই চেষ্টা চালাচ্ছি।
আজ বুধবার বিদায়ী বক্তব্যেও বিষয়টির ইঙ্গিত দিয়ে যান ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ নিজেই। তিনি বলেন, একই কারিকুলামে পড়াশোনা করিয়ে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের সঙ্গে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের চরম বৈষম্য ছিল। সেই বৈষম্য নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশে অনেক ইবতেদায়ী মাদ্রাসা আছে। এর মধ্যে অনেকগুলো অনানুষ্ঠানিক। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠানের নথি (রেজিস্ট্রেশন) আছে। সরকারি প্রাথমিক স্কুলের মতো তারা বাংলা, ইংরেজি, গণিত পড়াচ্ছে। অবকাঠোমো, শিক্ষক থাকার পরও তাদের এমপিওভুক্ত করা হয়নি। তাদেরকে এমপিওভুক্ত করা সম্ভব। সেই কাজ আমি করে দিয়েছি।
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় প্রায় একই কারিকুলামে পাঠদান করা হয়। কিন্তু সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা শতভাগ সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেলেও ইবতেদায়ী শিক্ষকরা নামেমাত্র ৩ হাজার টাকার মতো অনুদান পান, এটা চরম বৈষম্য।
বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ