কুমিল্লার মুরাদনগরে অবৈধ দখলে থাকা কোম্পানীগঞ্জ থেকে নবীনগর এবং সলপা থেকে পিপরিয়া খাল উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে উদ্ধরকৃত খালের সীমানা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নদী রক্ষা কমিশনের নির্দেশনার আলোকে স্থানীয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে আদেশে।
জনস্বার্থে দায়ের করা এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ সােমবার ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
খালগুলো উদ্ধারে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আদেশ প্রতিপালন করে ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদেশ।
এর আগে গত ৯ জানুয়ারি কৃষি ও পরিবেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ উজ্জল রিট আবেদনটি করেন। রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন।
পরে আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ উজ্জল সাংবাদিকদের বলেন, এই এলাকায় ১৭১টি খাল রয়েছে। খালগুলো দখল হয়ে যাওয়ার কারণে তিন ফসলি জমিতে বর্তমানে এক ফসলও হয় না। সঠিকভাবে পানি না নামার কারণে কৃষি জমিগুলো ধ্বংসের পথে। কোম্পানীগঞ্জ বাজারসহ আশেপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে নদীরক্ষা কমিশনসহ স্থানীয় প্রশাসনের সর্বস্তরে চিঠি দিয়েছিলাম। এরপরে ও কোন ফলাফল না পেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেছি।