আগের সরকারের সময়ে গৃহীত সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনীর আওতায় সুবিধার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ভুয়া ছিল বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন মোরশেদ।
তিনি বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সহায়তার নামে লুটপাট করা হয়েছে। এ লুটপাট রিভিউ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার রাজধানীতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘কনসালটেশন ওয়ার্কশপ: ফিউচার অব সোস্যাল প্রটেকশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস।
তিনি বলেন, সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠীর কাছে সুবিধা পৌঁছাতে হলে কৌশলগত ও পৌঁছানোর ধরণটা বদলাতে হবে। এজন্য রিডিজাইন করতে হবে। সরকারের রিফর্ম ট্রাস্ট বলেছে, ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ সহায়তা জায়গা মতে পৌঁছেনি। উন্নয়ন সহযোগী ইউনিসেফ বলছে, এ অনিয়মের হার ৪৬ শতাংশ। এই কর্মসূচিতে যদি সত্যিকারের অর্থে মানুষের কাছে পৌঁছাতে হয়, তাহলে লক্ষ্য নিখুঁত ও নির্ভুল করতে হবে। এটা বিস্ময়ের ব্যাপার যে এতদিন তা ঠিক করা হয়নি।
তিনি বলেন, যে কোনো কর্মসূচির একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ভুল হতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে যে পরিমাণ ভুল হয়েছে, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এজন্য এখন আমাদের কয়েকটি বিয়য় রিভিউ করতে হবে। প্রথমত, লক্ষ্য নিখুঁত পদ্ধতিতে আনতে হবে। দ্বিতীয়ত, এ কর্মসূচির অর্ধেক টাকা অপচয় হয়েছে। সেটা রোধ করে বিতরণের ধারণা ঠিক করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিষয়ক মন্ত্রণায়ের সচিব কামরুল আহসান, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
বিডি প্রতিদিন/আরাফাত