জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান বলেছেন, ভোজ্য তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য নিতে বাধ্য করলেই কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে। বাজারে তেলের সঙ্গে অন্যান্য পণ্য কিনতে ভোক্তাদের শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। বাজারে এসবের প্রমাণ মিলেছে কিন্তু কোম্পানিগুলো তা অস্বীকার করছে। আমরা বাজারে কোথাও এ অবস্থা দেখতে পেলে কোম্পানি ও ডিলারদের জরিমানা করব।
গতকাল রাজধানীর টিসিবি ভবনে পবিত্র রমজান উপলক্ষে ভোজ্য তেলের হালনাগাদ তথ্য সম্পর্কে অবহিত, মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ভোক্তার পরিচালক ফকির মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, টিকে গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল আতাহার তাসলিম, সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিত সাহা প্রমুখ। ভোক্তার পরিচালক ফকির মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা রাজধানীর চারটি বাজার পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি, খুচরা দোকানে তেল কম, ডিলার ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন। তেলের সঙ্গে শর্তজুড়ে দেওয়ার বিষয়টির সত্যতা পাওয়া গেছে। পাইকারি বিক্রির ক্ষেত্রে রশিদ দেখাতে পারছে না। এসব করে নির্দিষ্ট সময়ে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। তা ছাড়া খোলা ভোজ্য তেলের দাম কোনো কোনো ক্ষেত্রে বোতলজাত তেলের চেয়ে বেশি। টিকে গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল আতাহার তাসলিম বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বাড়া আর জাহাজ ফিরতে অতিরিক্ত সময় লাগায় তেলের সংকট। তবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।