এনবিআরের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সহসভাপতি রিপনুল হাসান জনিয়েছেন, স্বর্ণ আমদানির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করার ১০ থেকে ১৫ দিন লাগে অনুমতি পেতে। এলসি করার সময় স্বর্ণের দাম একরকম থাকে। এটা সাত দিন পর বাড়তেও পারে, কমতেও পারে। এয়ারপোর্টে আসার পর বিএসটিআই, পুলিশের অনুমোদন নিতে আরও সাত থেকে ১০ দিন লাগে। স্বর্ণটা ২৪ ক্যারেটের কি না সেটা বিএসটিআই দেখে। আমরা অনেক বলেছি, এখানে দেখার কিছু নেই। তাদের নিজস্ব ল্যাবও নেই। এর পর ক্লিয়ারিং ও বিক্রি।
গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বাজুস নেতাদের কাছে এ খাতের সমস্যা ও স্বর্ণ আমদানি না হওয়ার কারণ জানতে চান এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। আলোচনা সভায় এনবিআরের কাস্টমস ও ভ্যাট অনুবিভাগের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাজুসের সাধারণ সম্পাদক বাদল চন্দ্র রায়, সহসভাপতি মাসুদুর রহমান ও উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল বক্তব্য রাখেন।
বাজুস সহসভাপতি রিপনুল হাসান বলেন, ১ লাখ টাকার স্বর্ণের ওপর ২ হাজার টাকা শুল্ক। এর পর ৫ শতাংশ ভ্যাট। অথচ যে দুবাই, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে অবৈধভাবে নিয়ে আসছে সে ১ লাখ ৫ থেকে ১ লাখ ৭ হাজার টাকায় বিক্রি করছে। আমার এক মাসের বিনিয়োগ সেই সঙ্গে ব্যাংক সুদ, সিঅ্যান্ডএফ, বিমাসহ বিভিন্ন খরচ আছে। তাহলে আমরা কত টাকা বিক্রি করব। তিনি স্বর্ণ বেচাকেনায় ভ্যাট ৩ শতাংশ করার দাবি জানান।