সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও এমপি কামাল আহমেদ মজুমদার এবং তার ছেলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি বলছে, কামাল আহমেদ মজুমদারের বিরুদ্ধে সোয়া ১৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২৯৬ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুর ২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এসব জানান। তিনি বলেন, প্রথম মামলায় কামাল আহমেদ মজুমদার ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন ১২ কোটি ৯৫ লাখ ৫৮ হাজার ৫৯০ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া নিজ নামে ও প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত ১০টি হিসাবে মোট ২৯৬ কোটি ৩ লাখ ৫ হাজার ৯৬৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
দ্বিতীয় মামলায় তার ছেলে শাহেদ আহমেদ মজুমদার ও বাবা কামাল আহমেদ মজুমদারকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব ও আর্থিক সহায়তায় জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৩৯ লাখ ৭৩ হাজার ৭৩৬ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া কামাল আহমেদের স্ত্রী শাহিদা কামালের নামে কোনো আয়কর নথি ও ব্যাংক হিসাব পাওয়া যায়নি। তথাপি তার নামে-বেনামে সম্পদের প্রমাণ পাওয়ায় দুদক আইন-২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করা হয়েছে।
গত ১৮ অক্টোবর কামাল আহমেদ মজুমদারকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র হত্যার ঘটনায় করা মামলায় তাকে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে কাফরুল থানা পুলিশ।