গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাবিষয়ক সহসম্পাদক পটুয়াখালীর কলাপাড়ার লোন্দা গ্রামের বাসিন্দা রবিউল আউয়াল অন্তর (৩০) নিখোঁজ রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে অন্তরের বড় ভাই তুষার আল মামুন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ছয় কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।
তাঁরা হলেন জার্জিস তালুকদার, মো. শাহ আলম মাওলা হেলাল, মো. জিকো, মো. শহিদুল ভূইয়া, মো. রেজোয়ান, শাহিন মৃধা। এর মধ্যে শাহিন মৃধা ছাড়া সবাই বিসিপিসিএলের কর্মকর্তা। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে কলাপাড়া পৌর শহরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়ে আর বাড়িতে ফেরেননি তিনি। অন্তরের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি কলাপাড়া-পটুয়াখালী মহাসড়কের পায়রা পোর্ট ফোর লেন ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সিক্স লেন সড়কের মাঝামাঝি রজপাড়া মাদ্রাসাসংলগ্ন মহাসড়ক থেকে পার্কিং করা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর অদূরে একটি হেলমেটও উদ্ধার করা হয়।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমার ছোট ভাই মো. রবিউল আউয়াল অন্তর ৬ ফেব্রুয়ারি রাত অনুমান ১০টা ৪৫ মিনিটের সময় কলাপাড়া পৌর শহরের মহিলা কলেজ রোড এলাকার নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ডিজিটাল প্রিন্টিং প্রেস ‘গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ড’ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মোটরসাইকেল ড্রাইভ করে বাড়িতে ফিরছিল। এর পর থেকে আর তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। রাত আনুমানিক ১টার সময় ডিউটিরত অফিসার আমাকে ফোন করে অবহিত করেন যে কলাপাড়া থানাধীন টিয়াখালী চার ও ছয় লেনের মাঝামাঝি হাইওয়ে রাস্তার পাশে মো. রবিউল আউয়াল অন্তরের ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল যার রেজি. নম্বর পটুয়াখালী-ল ১১-৪৭৯৫ এবং সঙ্গে বিসিপিসিএল কোম্পানির সিইসিসি নামক হেলমেট পাওয়া গেছে।”
উল্লেখ্য যে বিবাদীদের সঙ্গে বিসিপিসিএলের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অধিকার আদায়ের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার নিয়ে মো. রবিউল আউয়াল অন্তর আন্দোলন করে যাচ্ছিলেন। ৭ ফেব্রুয়ারি মো. রবিউল আউয়াল অন্তরের নেতৃত্বে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করার কথা ছিল।
কলাপাড়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মো. জুয়েল ইসলাম জানান, মোটরসাইকেলটি ওখানে পার্কিং করা দেখে পায়রা পোর্ট ফোর লেন সড়কের নিরাপত্তাকর্মীরা থানায় অবহিত করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে। মোটরসাইকেলের সামনে রবিউল আউয়াল অন্তর লেখা রয়েছে। তাঁরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।