বাংলাদেশসহ শতাধিক দেশে মানবিক খাদ্যসহায়তা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো ও চিকিৎসা-গবেষণামূলক প্রকল্পে অর্থ প্রদানকারী ইউএসএইড বিলুপ্ত করতে ট্রাম্পের নির্দেশ জারির পর বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
বলা হচ্ছে, ৫ লাখ ৭ হাজার টন খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট করার যে কাজ আমেরিকার বিভিন্ন খামার-কলকারখানায় চলছিল তা বন্ধ হয়ে গেছে। বিভিন্ন দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় পাঠানোর জন্য আরও ১ লাখ ৮০ হাজার ১২৬ টন খাদ্য ক্রয়ের জন্য আমেরিকার খামারকে ওয়ার্কঅর্ডার প্রদানের প্রস্তুতি চলছিল, সেটিও থমকে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘের সংস্থাটি গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে যে, এর ফলে বিভিন্ন প্রান্তে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে।
এদিকে ইউএসএইডের বিলুপ্তির নির্দেশের প্রতিবাদ-নিন্দা এবং অবিলম্বে সেই আদেশ প্রত্যাহার দাবিতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে নেমেছেন ইউএসএইড তথা আমেরিকান ফরেন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মচারীরা। কংগ্রেসের অনুমোদন ব্যতীত ইউএসএইডের বিলুপ্তি ঘটানোর অভিপ্রায়ে নির্দেশ জারির এখতিয়ার এককভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেই বলে অভিযোগ করেছেন বরখাস্তের হুমকির মুখে পড়া কর্মচারী-বিজ্ঞানী-শিল্পকারখানার পদস্থ কর্মকর্তারা। ৬ ফেব্রুয়ারি তারা ক্যাপিটল হিলের সামনে বিক্ষোভ করে অবিলম্বে ইউএসএইডের মাধ্যমে বিতরণকৃত অর্থ ৯০ দিনের জন্য বন্ধের যে নির্দেশ গত মাসে জারি করা হয়েছে, তাকে আত্মঘাতী হিসেবে অভিহিত করা হয়।