বিমানকে দুই ভাগ করার যৌক্তিকতা নেই বলে জানিয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণে গঠিত সরকারের টাস্কফোর্স কমিটি যে সুপারিশ দিয়েছে সেটির কোনো যৌক্তিকতা দেখছি না। গতকাল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের হ্যাঙ্গার কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিমানকে ‘অথর্ব’ প্রতিষ্ঠান আখ্যা দিয়ে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান করতে বিদেশি ব্যক্তি বা সংস্থার মাধ্যমে পরিচালনার প্রস্তাব আমলে নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
বিমানকে দুই ভাগ করার যে প্রস্তাব এই বিষয়ে মুয়ীদ চৌধুরী বলেন, আমি তো মনে করি যে এটার যৌক্তিকতা নেই। প্রথম কথা হলো বিমানে কোনো অসুবিধা নেই। বিমানের টিকিট এখন অনলাইনে পাওয়া যায়। তিনি বলেন, বিমানের টিকিট নিয়ে এজেন্টরা আগে নানা ধরনের কিছু করেছে। এখন যেগুলো পত্রপত্রিকায় আসে, এগুলো আমাদের টিকিট না। অন্যান্য এয়ারলাইনসের টিকিট। তারা বাল্ক দিয়ে দেয়। পরে তারা আস্তে-আস্তে ছাড়ে বেশি পয়সা দিয়ে। আমাদের টিকিটে ওইগুলো নেই। জনপ্রশাসন সংস্কারে তো উদ্যোগ নিয়েছেন, বিমানের সংস্কারে কী উদ্যোগ নিচ্ছেন, এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই যে আজ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সি-চেক সম্পন্ন হলো। এটা আগে কোনোদিন হয়নি। বিমানের সবাই মিলে কাজ না করলে এটা হতো না। যে কাজটা হলো, কত কোটি টাকা সেভিংস হলো। বিমান যদি ভালোভাবে কাজ না-ই করে, কীভাবে এটা হলো?
বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সক্ষমতা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিমান প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকেই বিমান এই কাজ করে যাচ্ছে। বাইরের থেকে কেউ আসে যদি, সে কি আমেরিকা থেকে লোক নিয়ে আসবে? আমাদের লোক দিয়েই করাবে। তো আমরা আমাদের লোক দিয়ে করাতে পারব না?