বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম গতকাল শেষ হয়েছে। এরপর কাল ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি নেওয়ার কার্যক্রম; যা চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত। ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহের সময় যাদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়নি, তারা নিবন্ধন কেন্দ্রে (ছবি তোলার কেন্দ্রে) গিয়ে ভোটার হতে পারবেন।
ইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১ জানুয়ারি ২০০৮ বা তার আগে যাদের জন্ম কোনো কারণে তথ্য সংগ্রহকারীর মাধ্যমে ফরম-২ পূরণ করতে পারেননি; তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্রে (ছবি তোলার কেন্দ্রে) উপস্থিত হয়ে সরাসরি ফরম-২ পূরণ করে ছবি ও আঙুলের ছাপ দিয়ে ভোটার হতে পারবেন। সংস্থাটির নির্বাচন সহায়তা শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, গত ২০ জানুয়ারি থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ৩ ফেব্রুয়ারি তথ্য সংগ্রহের শেষ দিন ছিল। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ছবি তোলা, আঙুলে ছাপ ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি নেওয়ার কাজ, যা চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত। জানা গেছে, এ কাজে ৬৫ হাজার লোকবল নিয়োগ দিয়েছে সংস্থাটি। তারা ১ দশমিক ৫২ শতাংশ নাগরিককে ভোটার তালিকায় যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করবেন।
অন্যদিকে ২০২২ সালে নেওয়া তিন বছরের তথ্যের শেষ ধাপের হালনাগাদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এতে ১৮ লাখের মতো ভোটার আগামী মার্চে যোগ হতে পারে।
সর্বশেষ হালনাগাদ অনুযায়ী, দেশে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে হালনাগাদে ১৯ লাখ নতুন ভোটার তালিকায় যোগ হতে পারে। ২০০৭-০৮ সালে ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর এর আগে ভোটার তালিকা হালানাগাদ করা হয়েছে ছয়বার। ২০০৯-১০ সাল, ২০১২-১৩ সাল, ২০১৫-১৬ সাল, ২০১৭-১৮ সাল, ২০১৯-২০ ও ২০২২-২৩ সালে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইসি। ভোটার তালিকা হালানাগাদে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন ক) ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্মসনদের কপি। খ) জাতীয়তা/নাগরিকত্ব সনদের কপি। গ) নিকট আত্মীয়ের এনআইডির ফটোকপি (পিতা-মাতা, ভাই-বোন প্রভৃতি)। ঘ) এসএসসি/দাখিল/সমমান, অষ্টম শ্রেণি পাসের সনদের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। ঙ) ইউটিলিটি বিলের কপি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি/চৌকিদারি রসিদের ফটোকপি)।