রাজশাহীর পবা উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারের দরপত্র নিয়ে দুই পক্ষে সংঘর্ষ ঘটেছে। বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দরপত্র বাক্স লুট করে নিয়ে গেছে এক পক্ষ। ছুরিকাঘাতে একজন আহত হয়েছেন। তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে পবা উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। আহতে নাম শাকিলুর রহমান রণ (৪২)। শাকিলুরের বাড়ি নগরীর চন্দ্রিমা থানার ফিরোজাবাদ। তাঁর বাবার নাম সাইফুল ইসলাম। শাকিলুর রাজশাহী নগরীর শাহ মখদুম থানা যুবদলের সাবেক যুগ্মসম্পাদক। জেলা যুবদলের একজন যুগ্ম আহ্বায়কের সঙ্গে দরপত্র জমা দিতে গিয়েছিলেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ও মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘বেলা ১টার দিকে তাঁকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।’ পরে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তাঁর তলপেটে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘ঘটনাস্থলের আশপাশে সিসিটিভি ছিল। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। যারা ঘটনায় জড়িত তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ বলেন, ‘দরপত্র জমাদানের সময় ছিল সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। সকাল থেকে বেশ কয়েকটি দরপত্র জমাও পড়ে। সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে দুই পক্ষে ককটেল বিস্ফোরণ ও কয়েক রাউন্ড গোলাগুলি ঘটে। এ সময় বাক্স ভেঙে দরপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ এসে আলামত সংগ্রহ করেছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। আমরা এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেব।’ ইউএনও বলেন, ‘সাধারণত দরপত্র জমাদানের একাধিক সময় নির্ধারণ করা থাকে। আগামী তারিখ আছে ৬ ও ৭ এপ্রিল। ইজারা প্রক্রিয়া বাতিল হবে না।’