সাধারণত আমের মৌসুম চৈত্র-বৈশাখ মাসে। অথচ টেকনাফ ও কক্সবাজার শহরে কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে অহরহ। বিশেষ করে যেখানে পর্যটক আনাগোনা বেশি সেখানেই পসরা সাজিয়েছে বিক্রেতারা। অসময়ে পাওয়া এসব আম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৬৫০ টাকায়।
কৃষিবিদরা বলছেন, জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে দুই-আড়াই মাস আগে টেকনাফ ও উখিয়ার কিছু গাছে আম ধরতে শুরু করেছে। দাম বেশি হলেও কাঁচা আম কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। স্থান ভেদে দামও কমবেশি। টেকনাফে দাম কম হলেও কক্সবাজার সৈকতে দাম একটু বেশি। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে কাঁচা আমের পসরা সাজিয়ে বসেছেন জাহেদা আক্তার। তিনি জানান, টেকনাফ উপজেলা থেকে এই কাঁচা আম সংগ্রহ করেছেন। অসময়ে বাজারে আসা এই আম কেজি ৬৫০ টাকা দরে তিনি কিনে এনেছেন। যা আকার ভেদে পর্যটকদের কাছে বিক্রি করছেন প্রতিটি ৫০ থেকে ৭০ টাকা দামে।
টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকিরুল ইসলাম জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০১৫ সাল থেকে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় আগাম ফল ধরছে। দুই মাস আগে টেকনাফের হাটবাজারে আগাম আম এসেছে। তবে এটা বারোমাসি আম নয়। মিয়ানমারের রাংগুয়াই জাতের আম। মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডেও এ সময়ে আম পাওয়া যায়।