টাকা নিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে ভোটার করার প্রমাণ পাওয়ায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও ডেটা অ্যান্ট্রি অপারেটরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীর। গতকাল নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় এনআইডি উইংয়ের কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান, তকদির আহমেদ, ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম ও সহকারী পরিচালক আশাদুল হক উপস্থিত ছিলেন। এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীর বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলায় স্থানীয়দের বায়োমেট্রিক তথ্য ব্যবহার করে ১০৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে ভোটার করার চেষ্টা হয়েছে। কারও কারও সঙ্গে লক্ষাধিক টাকারও লেনদেন হয়েছে। ঢাকা থেকে এনআইডি উইংয়ের একটি তদন্ত দল জগন্নাথপুরে গিয়ে সার্বিক বিষয়ে প্রমাণ পেয়েছে। অনিয়মের অভিযোগে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান ও নির্বাচন অফিসের ডেটা অ্যান্ট্রি অপারেটর জুবায়েরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এরপরই বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে মামলা করা হয়েছে। তাদের আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া চলছে।
১৭ লাখের বেশি নতুন ভোটারের তথ্য সংগ্রহ
সারা দেশে ২০ জানুয়ারি থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে। তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এ কাজ। এনআইডি ডিজি বলেন, ‘সোমবার পর্যন্ত ১৭ লাখ ৭ হাজার ৫৭০ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয়, আমাদের তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন।’
২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী কোনো নাগরিক কোনো কারণে বাদ পড়লে নির্ভুল তথ্য ও কাগজপত্র দিয়ে ভোটার হতে পারবেন। তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হলে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছবি তুলে নিবন্ধন সম্পন্নের কাজ শুরু হবে, যা চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত।