ডাক্তারদের উচ্চপর্যায়ের জন্য সাড়ে ৭ হাজার সুপারনিউমারারি (নির্দিষ্ট সংখ্যার অতিরিক্ত পদ) আবদার করেছে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডাররা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এমন চিঠি জনপ্রশাসনে আসার পর বিষয়টি কেন দ্রুত হচ্ছে না এসব নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নারী কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানার কক্ষে হট্টগোল করেছেন একদল ডাক্তার। তারা ওই নারী কর্মকর্তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এবং অশালীন আচরণ করেন। বিষয়টি নিয়মমাফিক হবে জানানো হলেও ওই উচ্ছৃঙ্খল ডাক্তাররা নারী কর্মকর্তাকে বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ ও নিয়ম বুঝি না। এক সপ্তাহের মধ্যে অনুমোদন না হলে খবর আছে! গতকাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে এমন হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। ঘটনানি জনপ্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জেনে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
দায়িত্বশীল সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানায়, একজন নারী কর্মকর্তার সঙ্গে ডাক্তারদের এমন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা সন্ত্রাসীর মতো আচরণ করেছে ওই রুমে ঢুকে। একজন ডেস্ক অফিসার কী করতে পারে এ ক্ষেত্রে। কয়েক দিন আগে চিঠি দিয়ে দিনে দিনে তার অর্ডার করতে চায়!
একাধিক সূত্র জানায়, এখানে সুপারনিউমারারি পদ তৈরিতে একাধিক মিটিং করতে হয়। সাড়ে ৭ হাজার পদ চেয়েছেন তারা। এজন্য প্রত্যেক পদের জন্যই অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেটের বিষয় থাকে। অথচ তারা কোনো নিয়ম তোয়াক্কা না করে একজন কর্মকর্তার সঙ্গে অন্যায় আচরণ করেছেন। আর নারী কর্মকর্তার সঙ্গে কেমন আচরণ করা উচিত সেটাও তারা জানেন না। জানা গেছে, ১৫-২০ জনের মতো ডাক্তার যুগ্মসচিবের কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। এ সময় বারবার নারী কর্মকর্তা দরজা খোলার কথা বললে তারা অশালীন মন্তব্য করেন। উচ্চবাক্য বিনিময় করেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পদ অনুমোদন না হলে আগামী সপ্তাহে খবর আছে বলে হুমকি দেন।
জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগ জানার পর তারা এটি নিয়ে কাজ করছেন।