৪৮তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার পর্দা উন্মোচন হলো মঙ্গলবার বিকালে। কলকাতার কাছেই সল্টলেকের করুণাময়ী বইমেলা প্রাঙ্গণে এ বইমেলার উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে এই প্রথম কলকাতা বইমেলায় অনুপস্থিত বাংলাদেশি প্যাভিলিয়ন। ফলে এ বছর বাংলাদেশি লেখক, কবি, সাহিত্যিকদের লেখা থেকে বঞ্চিত হবেন কলকাতার বইপ্রেমী মানুষ।
বইমেলায় এই প্রথম ম্যাসকট হিসেবে থাকছে দুটি হাঁস, মেলায় আগত সবাইকে অভ্যর্থনা জানাবে তারা। এবারের বইমেলায় ফোকাল থিম কান্ট্রি জার্মানি। মেলাপ্রাঙ্গণের একদম কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে জার্মানির একটি বিশাল প্যাভিলিয়ন। ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিন চলবে বইমেলা।
এবার প্রকাশক ও লিটল ম্যাগাজিন মিলিয়ে সর্বাধিক ১ হাজার প্রকাশনী সংস্থা বইমেলায় অংশগ্রহণ করছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি উদ্বোধনী বক্তৃতায় বলেন, ‘বইমেলা আমাদের গর্ব, আমাদের হৃদয়ের উৎসস্থল থেকে উৎসারিত এক সরণি। হৃদয়ের সঙ্গে বইমেলার একটা সম্পর্ক রয়েছে।
বই হচ্ছে ফ্রেন্ড, ফিলোজফার এবং গাইড। বই হলো আমাদের প্রেরণা, আমাদের দিশা, আশা। যতই ডিজিটাল আসুক, কিন্তু বইকে কেউ ভুলে যেতে পারে না।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য গিল্ডের তরফে ‘জীবনব্যাপী সাহিত্য সম্মান পুরস্কার-২০২৫’ প্রদান করা হয় সাহিত্যিক আবুল বাশারকে, যার অর্থমূল্য ২ লাখ রুপি।
এবার সম্মাননা জ্ঞাপন করা হবে সাহিত্যিক জয় গোস্বামী, প্রকাশক রঞ্জন সরকার এবং পাঠক সত্যব্রত ঘোষালকে।