নির্বাচন কমিশন নিম্নমানের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কিনেছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। গতকাল নির্বাচন ভবনে দুদকের একটি টিম ‘এনফোর্সমেন্ট অভিযান’ পরিচালনা করে এ সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ শুরু করেছে। এ সময় ইসির সিনিয়র সচিব ও কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গেও কথা বলেছেন এনফোর্সমেন্ট টিমের সদস্যরা।
অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক নুর আলম সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, নিম্নমানের ইভিএম কেনার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের এনফোর্সমেন্ট নির্বাচন কমিশন ভবনে অভিযান পরিচালনা করেছে। দ্বৈবচয়ন ভিত্তিতে (র্যানডম) ইসিতে সংরক্ষিত মেশিনগুলোর মধ্যে তিনটি পরীক্ষা করে দেখা হয়। একটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি পাওয়া গেছে এবং বাকি দুটো ভালো আছে। তিনি জানান, নিম্নমানের মেশিন ক্রয়ের অভিযোগের ব্যাপারে কিছু রেকর্ড সংগ্রহ করেছি।
আরও তথ্য উপাত্ত প্রয়োজন, বাকি রেকর্ডপত্রের জন্য রিক্যুজিশন দিয়েছি। সেগুলো যাচাইবাছাই করে প্রতিবেদন দাখিল করব। এ কর্মকর্তা আরও জানান, তৎকালীন কমিশন ২০১৮ সালে ১ লাখ ৫০ হাজার ইভিএম কেনে। এর মধ্যে ১ লাখ ৫০০ মেশিন ব্যবহারের অনুপযোগী রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। ইসি তিন জায়গায় এগুলো সংরক্ষণ করেছে। এর মধ্যে ইসিতে ৬১৮টি, প্রায় ৮৬ হাজার বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিতে (বিএমটিএফ) ও ১০টি আঞ্চলিক অফিসে প্রায় ৬২ হাজার মেশিন সংরক্ষিত রয়েছে।