অস্ত্র আইনে ১৮ বছর আগের একটি মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছেন ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। বিচারিক আদালতের দেওয়া সশ্রম ওই কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে মামুনের আপিল মঞ্জুর করে গতকাল রায় দেন বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের হাই কোর্ট বেঞ্চ। এ নিয়ে দণ্ড হওয়া পৃথক পাঁচটি মামলার মধ্যে চারটিতে গিয়াস উদ্দিন আল মামুন খালাস পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী। এর আগে ওই মামলায় ২০০৭ সালের ৩ জুলাই মামুনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গুলি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে একই বছর হাই কোর্টে আপিল করেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। শুনানি শেষে আপিল মঞ্জুর করে গতকাল রায় দেন হাই কোর্ট। আদালতে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ ও সাব্বির হামজা চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী। রায়ের পর আইনজীবী সাব্বির হামজা চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে থাকা ২২টি মামলার মধ্যে পাঁচটিতে তার দণ্ড হয়। আজকের (গতকাল) মামলাটিসহ চারটি মামলায় গিয়াস উদ্দিন আল মামুন খালাস পেলেন। অন্য একটিতে দণ্ড রয়েছে। এসব মামলায় জামিন লাভের পর ৬ আগস্ট মামুন কারামুক্তি পেয়েছেন। ২০০৭ সালের ২৬ মার্চ ক্যান্টনমেন্ট থানায় ওই মামলা করে পুলিশ। মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের রাজধানীর ডিওএইচএস বনানীর বাসায় ২০০৭ সালের ২৬ মার্চ রাত সাড়ে ৩টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট থানার তৎকালীন ওসির নেতৃত্বে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এ সময় তার শয়নকক্ষে সোফার গদির নিচ থেকে একটি পিস্তল, ম্যাগাজিনসহ পলিথিনে মোড়ানো ৮ রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়। তিন তলার শয়নকক্ষ থেকে সেদিন মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।