চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌকা সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশের জমিতে স্থানীয় কৃষকদের কাজ করতে যেতে দিচ্ছে না বিজিবি। শনিবারের ঘটনায় মানুষের পায়ের নিচে চাপা পড়ে চৌকা এলাকায় চাষাবাদ করা গম, ভুট্টা ও সরিষার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, তাদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে। চৌকা সীমান্তের জিরো পয়েন্টের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণের চলাচল সীমিত করেছে বিজিবি। এ নিয়ে সীমান্তে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া সীমান্তে বসবাসকারীসহ জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং বেসামরিক লোকজনকে সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌকা সীমান্তে ভারতের সুখদেবপুর বিওপির বিএসএফের সহায়তায় শত শত ভারতীয় নাগরিক অবৈধ অনুপ্রবেশ করে অন্তত ৩০টি আমগাছ ও শতাধিক বরই গাছ কেটে ফেলে। এ সময় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ভারতীয়দের প্রতিহত করার জন্য স্থানীয় জনসাধারণকে সীমান্তে ডাকা হলে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি চৌকা সীমান্তে জড়ো হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ প্রায় ১৫টি টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে এবং ভারতীয়রা প্রায় ১০টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পাঁচজন বাংলাদেশি আহত হন। পরে বিকাল ৪টার দিকে চৌকা সীমান্তের শূন্যরেখা বরাবর বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক করার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে সীমান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে থমথমে রয়েছে এবং সীমান্ত এলাকায় সাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।