গ্রিনল্যান্ড, পানামা খাল এবং কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করতে চাইছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এরই মধ্যে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত করে নতুন মানচিত্রও প্রকাশ করে ফেলেছেন। এগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকার কথা জানিয়ে নানা হুমকি-হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়ার আগেই তার এসব বিতর্কিত মন্তব্যে বেড়েছে উত্তাপ। সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স
খবরে বলা হয়, গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুদিন আগে যে ইচ্ছাপোষণ করেছিলেন, সেখান থেকে সরে আসার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছেন না তিনি। বরং ওই দুই এলাকাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। যদিও ডেনমার্ক ও পানামা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো পরিস্থিতিতেই নিজেদের ভূমির মালিকানা ছাড়বে না। এ অবস্থায় ট্রাম্প সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে ভূখন্ড দুটি দখল করার চিন্তা করছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের ট্রাম্প এক কথায় বলেন, ‘না, এই দুটির কোনোটির ব্যাপারেই আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারছি না। তবে আমি এটা বলতে পারি যে, (যুক্তরাষ্ট্রের) অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য ওই এলাকাগুলো আমাদের প্রয়োজন।’
আরেক খবরে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে সামরিক বল প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। এ ছাড়া মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে ‘আমেরিকা উপসাগর’ রাখার কথাও বলেছেন ট্রাম্প। আরেক খবর অনুযায়ী, কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এবার দেশটিকে যুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মানচিত্রের ছবি প্রকাশ করে নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথে তিনি লিখেছেন, ‘ওহ কানাডা’। পোস্টটি করার কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্যে পরিণত করার প্রস্তাব দেন এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য ‘অর্থনৈতিক শক্তি’ ব্যবহার করার হুমকি দেন।