নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের কামারপুকুর ব্লকের পাখাতিপাড়া এলাকায় প্রথমবার সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু হচ্ছে। প্রস্ততি হিসেবে জমিতে ট্রেতে তৈরি করা হচ্ছে বীজতলা। নিয়মিত সার, কীটনাশক স্প্রে চলছে। পরিচর্যার কাজও চলছে পুরোদমে। চারা বীজের বয়স ২৫ দিন হলেই মেশিনের সাহায্যে লাগানো হবে জমিতে। সমলয় পদ্ধতিতে কৃষকরা প্রায় ১৫০ বিঘা জমিতে সবাই একসঙ্গে একই জাতের ধান একই সময়ে যন্ত্রের মাধ্যমে রোপণ করবেন। এ পদ্ধতিতে বীজতলা থেকে চারা তোলা, চারা রোপণ ও ধান কাটা সব প্রক্রিয়া যন্ত্রের সাহায্যে সমসময় সম্পাদন করা হবে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, ট্রেতে চারা উৎপাদনে জমির অপচয়ও কম হয়। রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টার দিয়ে চারা একই গভীরতায় সমানভাবে লাগানো যায়। ফলনও বাড়ে। একসঙ্গে রোপণ করায় ধান একসঙ্গে পাকবে ও কৃষকরা একসঙ্গে ধান ঘরেও তুলতে পারবেন। এই উপজেলায় এ ধরনের সমলয় পদ্ধতি প্রথম। এতে কৃষকের প্রচুর আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কামারপুকুর ব্লকের সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আশা বলেন, রাসায়নিক সারের ব্যবহার না করে সামান্য জৈব সারের ব্যবহারে খরচ কমে যাচ্ছে। প্লাস্টিকের ট্রেতে বীজতলা করায় ধানের চারা উত্তোলন, রোপণ, ফসল মাড়াই ও সবই একযোগে করা হবে। সমলয় পদ্ধতিতে কৃষিতে খুলছে নতুন দুয়ার। সমলয়ে ধান আবাদ করতে হলে চারা তৈরি করতে হয় ট্রেতে। ট্রেতে চারা উৎপাদনে জমির অপচয় কম হয়। প্রচলিত পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি ও চারা রোপণ না করে প্লাস্টিকের ট্রেতে আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে লাগানো হয়েছে ধানের বীজ। এতে ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে চারা মাঠে লাগানোর উপযোগী হবে। বর্তমানে এই চারার বয়স চলছে ৬-৭ দিন। তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে ঢেকে রাখা হয়েছে বীজতলা।