মাদারীপুরে কিশোরীকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকের বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে প্রেমিক সবকিছু অস্বীকার করায় লজ্জা-অভিমানে গলায় ফাঁস নিয়েছে ওই কিশোরী (সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী)। পুলিশ গতকাল লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে শিবচর থানায়। ঘটনার পর বাড়িতে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছে প্রেমিকের পরিবার।
জানা যায়, শিবচর উপজেলার বাবলাতলা কাইমুদ্দিন শিকদারের কান্দি গ্রামের চাঁনমিয়ার মেয়ে স্কুলছাত্রী হাফিজার (১৪) সঙ্গে প্রতিবেশী আবুল কালামের ছেলে পিয়ার সরদারের (২২) প্রেম ছিল। একপর্যায়ে তা গড়ায় শারীরিক সম্পর্কে। হাফিজার গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগও রয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে সালিশ দরবার হয়। সালিশে পিয়ার নিজের দোষ অস্বীকার করেন। তার ছোট ভাই আলী সরদার সবার সামনে নিজেকে হাফিজার প্রেমিক ও দোষী দাবি করে তাকে বিয়ে করতে রাজি হন। হাফিজা বারবার বলছিল ‘আমাকে নষ্ট করেছে পিয়ার, আমি কেন আলিকে বিয়ে করব। আমি বিয়ে করলে পিয়ারকেই করব।’ এ ব্যাপারে চূড়ান্ত ফয়সালা না হওয়ায় অভিমানে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজ ঘরে ফাঁস নেয় হাফিজা। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শিবচর থানার ওসি মোক্তার হোসেন বলেন, হাফিজার সঙ্গে পিয়ার সরদার নামে একজনের প্রেম ছিল জানতে পেরেছি। ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কি না ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে বোঝা যাবে।