শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:১১, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫

ইউরোপীয় স্থাপত্যশিল্পে মুসলিম প্রভাব

আতাউর রহমান খসরু
অনলাইন ভার্সন
ইউরোপীয় স্থাপত্যশিল্পে মুসলিম প্রভাব

খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতক। ইংল্যান্ডের ওয়েলসের একজন নাইট ক্রুসেড থেকে দেশে ফিরেছেন। তিনি সঙ্গে নিয়ে এসেছেন একজন ফিলিস্তিনি রাজমিস্ত্রি। স্থানীয়রা তাঁকে লেলিস নামে ডাকে, যা মূলত আরবি আল আজিজের ভুল উচ্চারণ।

রাজমিস্ত্রি আজিজ বেশ কয়েকটি আশ্রম, দুর্গ ও গির্জা নির্মাণ করেন। যার মধ্যে দক্ষিণ ওয়েলসের নেথ অ্যাবে অন্যতম, যা বর্তমান ইংল্যান্ডের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রাচীন ধ্বংসপ্রাপ্ত আশ্রম। একাদশ খ্রিস্টাব্দে অপর একজন ফিলিস্তিনি রাজমিস্ত্রি আল ওমর দক্ষিণ ইংল্যান্ডের নরফোকে দৃষ্টিনন্দন ক্যাসেল একর প্রাইরি নির্মাণে সাহায্য করেছিলেন।

গবেষক ডায়ানা ডার্ক মনে করেন, ব্রিটিশ স্থাপত্যের ঐতিহ্য হয়ে ওঠা স্থাপনাগুলো নির্মাণে লেভ্যান্ট (শাম ও লেবানন) অঞ্চলের স্থপতি ও নির্মাণ প্রকৌশলীদের এই সহযোগিতা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়।

মধ্য যুগে ইউরোপের নির্মাণ ও আলংকারিক কারুশিল্পের জগৎ মুসলিমদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল। তিনি তাঁর সম্প্রতি প্রকাশিত বই ‘ইসলামিস্কো’তে এমনটিই দাবি করেছেন। তিনি তাঁর আগের বই ‘স্টিলিং ফ্রম দ্য সারাসেনস’-এ দাবি করেছিলেন ইউরোপের বহু সেরা স্থাপনা ইসলামী স্থাপত্যরীতি দ্বারা প্রভাবিত।

ডার্ক তাঁর বইয়ে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের প্রমাণ করেছেন যে মধ্য যুগে গড়ে ওঠা ‘রোমানেস্কো’ নামক স্থাপত্যরীতি ইসলামী রীতি দ্বারা উজ্জীবিত ছিল।

এখানেই শেষ নয়, বরং ইউরোপজুড়ে রোমানেস্কো রীতিতে নির্মিত সেরা স্থাপত্যকর্মের অনেকগুলোই আরব ও মুসলিমরা নির্মাণ করেছে। স্থাপত্যশিল্পের এসব নথিপত্র মধ্য যুগে সমগ্র ইউরোপে মুসলমানদের অস্তিত্বের জানান দেয়। আর এটাও প্রমাণিত হয় যে তখন ইউরোপে মুসলিমরা বসবাস করত একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে। যারা ছিল সুদক্ষ, উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন, উচ্চ বেতনভোগী এবং সমাজের সম্মানিত সদস্য। কোনো সন্দেহ নেই ইউরোপীয় সভ্যতা (মুসলিম) অভিবাসীদের উচ্চতর দক্ষতার ওপর নির্মিত হয়েছিল।

ডার্ক যুক্তির সঙ্গে বলেছেন, রোমানেস্কো খ্রিস্টীয় দশম থেকে ত্রয়োদশ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যরীতি। রোমানেস্কোই গোথিক স্থাপত্যরীতির পথ প্রশস্ত করেছিল। রোমানেস্কো যার অর্থ রোমানদের রীতিতে তাকে ইসলামিস্কো (ইসলামী রীতিতে) বললেই সহজে সত্য উপলব্ধি করা যাবে।

লেখকের মতে, খ্রিস্টান ইউরোপ যখন সম্পদশালী হয়ে উঠেছিল এবং চার্চ ও সমাজপতিরা নির্মাণ খাতে তাদের বরাদ্দ বাড়াচ্ছিল তখন ইউরোপে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন আরব কারিগর, শিল্পী, স্থপতি ও নির্মাণ প্রকৌশলীদের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছিল। এসব নির্মাণশিল্পী ও কারিগররা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে থেকে কাজ করতে পছন্দ করত। তাদের ইউরোপে আগমনের পথ ছিল মুসলিম শাসিত সিসিলি। সিসিলিতেও এমন বহুসংখ্যক মুসলিম স্থাপত্য আছে, যা নিয়ে গর্ব করা যায়। আগ বাড়িয়ে এটাও বলা চলে, ইতালির সর্বত্র ইসলামী স্থাপত্যরীতির বহু নিদর্শন আছে। ইতালির বিখ্যাত পিসার হেলানো টাওয়ারের কথাই ধরা যাক। যার অভ্যন্তরীণ জ্যামিতিক নকশা, কলাম ও অলংকরণ সব কিছুই ইসলামী স্থাপত্যরীতি ও নান্দনিকতার বৈশিষ্ট্য ধারণ করে আছে। এটাকে আরব প্রভাবের উজ্জ্বল নিদর্শনও বলা যায়। ইতালির মতো স্পেনও মুসলিম স্থাপত্যরীতি দ্বারা দারুণভাবে প্রভাবিত ছিল। স্পেনে বিদ্যমান মুসলিম স্থাপত্যগুলোর সঙ্গে মুসলিম শাসন অবসানের পরবর্তী স্থাপত্যগুলোর তুলনা করলেই বৈশিষ্ট্যগত মিল চোখে পড়বে এবং মুসলিম প্রভাবও স্পষ্ট হবে।

পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো যেমন—জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ, যেখানে মূলত কখনো ইসলামী শাসন ছিল না, সেখানেও ইসলামী স্থাপত্যরীতির প্রভাব দৃশ্যমান। যেমন—ইউরোপে টিকে থাকা মধ্য যুগের চারটি অলংকৃত কাঠের সিলিংয়ের একটি সেন্ট মাইকেল গির্জায় বিদ্যমান। গির্জাটি উত্তর জার্মানির হিল্ডেসেইমে অবস্থিত। একাধিক বৈশিষ্ট্য থেকে বোঝা যায় সিলিংটি ইসলামী স্থাপত্যরীতি দ্বারা প্রভাবিত। ইংল্যান্ডের রাজা রিচার্ড দ্য লায়নহার্ট ফ্রান্সের সাইন নদীর তীরে লেজ আন্দেলেইজ শহর নির্মাণে মুসলিম নির্মাতাদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। যেখানে এখনো ইসলামী স্থাপত্যরীতির প্রতিধ্বনি শোনা যায়। যার মধ্যে আছে একাধিক খিলানযুক্ত ঘর, ছায়াযুক্ত পথ এবং গোপনীয়তার রক্ষার উপায়।

ফ্রান্সে ইসলামী স্থাপত্যরীতি দ্বারা প্রভাবিত আরেকটি স্থাপত্য নিদর্শন হলো লে পুই ক্যাথেড্রাল। ফরাসিরাও স্বীকার করে এটা দারুণভাবে ইসলামী রীতি দ্বারা প্রভাবিত, বিশেষ করে এর সাদা-কালো খিলান, সম্মুখ ভাগের গঠন এবং দরজায় লেখা ‘আল মুলকু লিল্লাহ’ (সার্বভৌমত্ব কেবল আল্লাহর) বাক্য অস্বীকারের সব পথ বন্ধ করে দেয়।

ইউরোপে মুসলিম স্থাপত্যরীতির প্রভাব বিস্তারে নরম্যানরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা সিসিলি, ইতালি ও স্পেন থেকে ইসলামী রীতি রপ্ত করেছিল। তারা ব্যাপক হারে মুসলিম স্থপতিদের মতো ছেদকারী খিলান, তোরণ, জ্যামিতিক প্যাটার্ন ও জিগজাগ ব্যবহার করেছিল, যা পূর্বে ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে অজানায় ছিল। ডায়ানা ডার্কের দাবি, ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের প্রতিটি নরম্যান গির্জা ও ক্যাথেড্রাল এবং অন্যান্য ভবন ও স্থাপত্য ইসলামী প্রভাবের প্রমাণ। একইভাবে নরফোকের ক্যাসল রাইজিং ইসলামী বিশ্বের অবকাশ ও শিকার কেন্দ্রের আদলে নির্মিত, উইলিয়াম দ্য কনকারর কর্তৃক নির্মিত লন্ডন টাওয়ারের খিলানগুলো ইসলামী রীতি দ্বারা প্রভাবিত, অ্যাংলো-স্যাক্সন বণিক দ্বারা নির্মিত ব্রিস্টল ক্যাথেড্রালের অভ্যন্তর ভাগে ইসলামী রীতির জিগজাগ ব্যবহার করা হয়েছে। 

ডায়ান ডার্কের গবেষণা কর্মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ, যা মধ্য যুগে ইউরোপের মুসলমানদের ভুলে যাওয়া ইতিহাস, তাদের অর্জন ও অবদানকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে; যা উগ্র ডানপন্থী ইউরোপীয় নেতাদের মুখে একটি দারুণ চপেটাঘাতও বটে। কেননা তারা ইউরোপে মুসলমানের যেকোনো উপস্থিতিকে নিন্দার দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করে এবং মুসলিম ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদানকে বরাবর অস্বীকার করে। ডার্ক মনে করেন, কয়েক দশক আগেও ইউরোপে মুসলিম স্থপতি, কারিগর ও প্রকৌশলীদের পরিচয় আড়াল করার প্রচেষ্টাটা এত প্রবল ছিল না, যেমনটি বর্তমানে দেখা যায়। বর্তমানে ইউরোপকে মুসলিম ঐতিহ্য থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রচারণা চলছে, যা ইতিহাস বিকৃতিরই অংশবিশেষ।

মিডল ইস্ট আই অবলম্বনে


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা