ওমান উপসাগরে বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে ইরান, চীন এবং রাশিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিনের পশ্চিমা জোটকে উড়িয়ে দেওয়ার পর গতকাল এই যৌথ মহড়া শুরু করেছে এই তিন দেশ। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের চাবাহার বন্দরের কাছে ‘সিকিউরিটি বেল্ট-২০২৫’ মহড়াটি ২০১৯ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এটি ইরান, চীন এবং রাশিয়ার পঞ্চম যৌথ নৌমহড়া। বিশ্লেষকরা দীর্ঘদিন ধরে এই মহড়াগুলোকে তিনটি কর্তৃত্ববাদী শক্তির মধ্যে ক্রমবর্ধমান অংশীদারত্বের প্রদর্শন হিসেবে দেখে আসছেন। কারণ তারা মার্কিন প্রভাবকে ভারসাম্যহীন করতে এবং পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন বিশ্ব ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চায়। ‘চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধ ও সহায়তা জাহাজ, সেই সঙ্গে ইরানের নৌবাহিনীর সেনা এবং বিপ্লবী গার্ডের যুদ্ধজাহাজ’ মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছে। ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার ও অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা প্রসারিত করাই এই মহড়ার লক্ষ্য। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মস্কোর প্রতিনিধিত্ব করছে দুটি কর্ভেট ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ট্যাঙ্কার।-সিএনএন
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে বেশ কয়েক দিন ধরে, ক্রুরা আটক জাহাজ উদ্ধার, সমুদ্রে অনুসন্ধান ও উদ্ধারের পাশাপাশি সমুদ্র ও আকাশ লক্ষ্যবস্তুতে কামানের গোলা নিক্ষেপ করবে।’ আজারবাইজান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওমান, কাজাখস্তান, পাকিস্তান, কাতার, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও শ্রীলঙ্কা পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকছে। চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাটে দেওয়া এক বার্তায় বেইজিংয়ের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘চাবাহার বন্দরে শুরু হওয়া মহড়ায় একটি বিমান বিধ্বংসী রণতরী ও একটি সরবরাহ জাহাজ মোতায়েন করেছে। -সিএনএন।