শতাধিক দেশে মানবিক-খাদ্য সহায়তা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো ও চিকিৎসা-গবেষণামূলক প্রকল্পে অর্থ প্রদানকারী ইউএসএইডের বিলুপ্তির নির্দেশের প্রতিবাদ-নিন্দা এবং অবিলম্বে সেই আদেশ প্রত্যাহার দাবিতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথেও নেমেছেন আমেরিকান ফরেন সার্ভিস এসোসিয়েশনের কর্মচারিরা।
কংগ্রেসের অনুমোদন ব্যতিত ইউএসএইডের বিলুপ্তি ঘটানোর অভিপ্রায়ে নির্দেশ জারির এখতিয়ার এককভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেই বলে অভিযোগ করেছেন বরখাস্তের হুমকির মুখে পড়া কর্মচারি-বিজ্ঞানী-শিল্প-কারখানার পদস্থ কর্মকর্তারা।
তারা ক্যাপিটল হিলের সামনে বিক্ষোভ করেন। ইউএসএইডের মাধ্যমে বিতরণকৃত অর্থ ৯০দিনের জন্যে বন্ধের যে নির্দেশ গতমাসে জারি করা হয়েছে তাকে আত্মঘাতী হিসেবে অভিহিত করা হয়।
উল্লেখ্য, ইউএসএইডের ১০ হাজারের অধিক কর্মচারীকে দীর্ঘকালিন ছুটিতে যাবার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। অথচ ইউএসএইডের মাধ্যমে বার্ষিক যে ৪০ বিলিয়ন ডলারের মত ব্যয় করা হয় তার বিনিময়ে বিপুল অর্থ মার্কিন অর্থনীতিতে যোগ হয় বলে বিক্ষোভকারীরা যুক্তি দেন। কারণ, ইউএসএইডের আওতায় চাল, গম-সয়াবিনসহ বিভিন্ন খাদ্য-সামগ্রী বিভিন্ন দেশে পাঠানোর জন্যে কৃষি খামারগুলোতে প্রতি মৌসুমে লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
বিডি প্রতিদিন/নাজমুল