ইউরোপের দেশ গ্রিসের অন্যতম পর্যটন নগরী সান্তোরিনি ও আমোরগোস দ্বীপে দুই শতাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে অনেক মানুষ খোলা আকাশের নীচে রাত কাটাতে বাধ্য হয়েছেন। কেউ আবার ফেরিতে করে দ্বীপ ছেড়েছেন।
রবিবার বিকেলে সমুদ্রে বা আশেপাশের দ্বীপগুলোতে ২০০ টিরও বেশি স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ৪ দশমিক ৬ মাত্রার ছিল। সান্তোরিনি এবং আমোরগোসের মধ্যবর্তী পানিতে আঘাত হেনেছে।
সান্তোরিনি ছাড়াও আমোরগোস, লোস ও আনাফির সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া সেখানে যাওয়া পর্যটকদের সরিয়ে নিতে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বিমান সংস্থাগুলো।
ন্যাশনাল অবজারভেটরির জিওডাইনামিক্স ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭:১০ ঘটিকায় সান্তোরিনির কাছে ছোট দ্বীপ আনাফির উত্তর-পশ্চিমে ৪ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
গ্রিক সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, অনেক লোক তাদের গাড়িতে অথবা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত নিরাপদ স্থানে রাত কাটিয়েছেন।
সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, অনেকেই বিমান বা ফেরিতে দ্বীপ ছেড়ে চলে গেছেন। প্রায় ১৫ হাজার ৫ শত জনসংখ্যার দ্বীপের স্কুলগুলি সোমবার বন্ধ ছিল।
গ্রিক কর্তৃপক্ষ জনগণকে আবদ্ধ স্থানে বড় সমাবেশ এড়াতে এবং নির্দিষ্ট বন্দর, পরিত্যক্ত ভবন এবং খালি সুইমিং পুল থেকে দূরে থাকতে বলেছে।
হেলানিক ভলকানো আর্কে অবস্থিত সান্তোরিনি নামের এ দ্বীপটি। সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। তা সত্ত্বেও প্রতি বছর দ্বীপটিতে প্রায় ৩৫ লাখ মানুষ ঘুরতে যান। এছাড়া দ্বীপটির ২০ হাজার স্থায়ী বাসিন্দা রয়েছে।
সূত্র: এএফপি
বিডি প্রতিদিন/নাজমুল