করের আওতায় আসছেন দেশের চিকিৎসক এবং জেলা-উপজেলা ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের ব্যবসায়ী এবং আইনজীবীরা। গতকাল ওসমানী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে কার্য অধিবেশন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির অবস্থা মোটামুটি ভালো। কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালান্স পজিটিভ, ফাইন্যানশিয়াল অ্যাকাউন্ট পজিটিভ, রেমিট্যান্স ভালো। বিষয়টা এমন না যে আমরা মরিয়া হয়ে উঠেছি আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণের জন্য। বর্তমানে বাংলাদেশের ইমেজ কিন্তু বাইরে অনেক বেটার।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে কী কোনো নেগোসিয়েশন হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আইএমএফের সঙ্গে ন্যাগোসিয়েশন হয়েছে, তারা একটা বোর্ড। অনেকেই ভাবছে আমরা ভিক্ষা করে টাকা পয়সা নিয়ে আসছি। আমাদের নিজস্ব তাগিদে অনেক কন্ডিশন মেনে আনছি। কিছু শর্ত আছে, তারা বললেই আমরা করব, বিষয়টা কিন্তু তা না। আমরা বলেছি, আমাদের মতো করে করব। দুটি শর্ত পূরণ না হওয়ায় বিলম্বিত আইএমএফের ঋণ প্যাকেজের চতুর্থ কিস্তির সঙ্গে পঞ্চম কিস্তির অর্থ জুন মাসে একসঙ্গে ছাড় হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। উপদেষ্টা বলেন, জেলা, উপজেলা এবং গ্রাম অঞ্চলে যেসব ব্যবসায়ী পর্যাপ্ত আয় করেন কিন্তু কর দেন না তাদের কাছ থেকে কর আদায় করতে জেলা প্রশাসকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে চিকিৎসক ও আইনজীবীরা যে ফি নেন সেটা রসিদ বা ডিজিটাল পেমেন্ট মেথডে এনে তাদেরও করের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।