আজ শুক্রবার দিবাগত রাত পবিত্র শবেবরাত। উম্মতে মুহাম্মদী হিজরি বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি ‘শবেবরাত’ বা ভাগ্যরজনি হিসেবে পালন করে থাকে। ফারসি ‘শব’ মানে রাত, আরবি ও ফারসিতে ‘বরাত’ মানে ভাগ্য, মুক্তি ইত্যাদি। পবিত্র হাদিসগ্রন্থে এ রাতটিকে একটি পুণ্যময় রাত হিসেবে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা ‘শাবান মাসের মধ্যরজনি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ রাতকেও পাপমুক্তির রাত হিসেবে গণ্য করা হয়। বিশ্বাস করা হয় গুনাহ মাফের এ রজনিতে নতুন করে ভাগ্য লেখা হয়। পবিত্র এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহতায়ালা অর্ধ শাবানের রাতে (শবেবরাত) সৃষ্টির প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’ (মুসনাদে আহমাদ : ৪/১৭৬)
পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশব্যাপী সব মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রাতভর ইবাদত-বন্দেগি করবে। মসজিদ, খানকা, দরবার শরিফ, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন ওয়াজ, জিকির-আসকার, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। পাপমোচন বা গুনাহ মুক্তির এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর দরবারে ক্ষমাপ্রার্থনাসহ নিজের, পরিবারের ও মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করবে। মহান আল্লাহর করুণালাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার, কবর জিয়ারত, দানখয়রাত, খাদ্য বিতরণসহ নানা ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করবে। অনেকে আজ ও আগামীকাল নফল রোজা রাখবে। পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে আগামীকাল সরকারি ছুটি।