ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল গতকাল এ কথা বলেন।
একই দিনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব বি শ্যাম দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের অস্থায়ী হাইকমিশনার নুরুল ইসলামকে তলব করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ভারতে অবস্থানকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলছেন তা ভারত সরকারের বক্তব্য নয়। তিনি যা বলছেন সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। শেখ হাসিনার মতকে ভারতের মত বলে ধরে নিলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতি হবে না। বলা হয়েছে, ভারত আশা করে ভারতের উদ্যোগের প্রতি বাংলাদেশ ইতিবাচক সাড়া দেবে। অস্থায়ী হাইকমিশনারকে বিকাল ৫টায় সাউথ ব্লকে ডাকা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশকে বলা হয়েছে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং অভিন্ন স্বার্থে উপকারী সম্পর্ক রাখতে চায়। এটা বিভিন্ন স্তরে উচ্চপর্যায়ে বলা হয়েছে। এও বলা হয়, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ থেকে মাঝেমধ্যেই ভারতবিরোধী মন্তব্য করা হচ্ছে। আন্তসরকারি বিষয়ের মধ্যেই ভারতকে জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই বিবৃতিগুলো ক্রমাগত নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করছে। শেখ হাসিনার মন্তব্যের বিষয়ে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা নেই।
ঢাকায় ভারতীয় মিশনে কোনো নিরাপত্তার ঝুঁঁকি আছে কি না জানতে চাইলে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব মিশনে নিরাপত্তা দেওয়া। আমরা বিশ্বাস করি এটা বাংলাদেশ সরকার জানে।