শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০২:০৩, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বিশ্বনন্দিত এক মহানায়কই আজ দেশের আলোকবর্তিকা

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বনন্দিত এক মহানায়কই আজ দেশের আলোকবর্তিকা

বিশ্বে এ মুহূর্তে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের মধ্যে তিনি একজন। বৈশ্বিক সব সংকটের সমাধানের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন তিনি। মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এ মানুষটি বিশ্বশান্তির দূত। তিনি একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। কিন্তু অতি সাদামাটা সাধারণ তাঁর জীবন। এ মুহূর্তে বিশ্বে সবচেয়ে বিজ্ঞজন, সবচেয়ে শান্তিবাদী মানুষ হিসেবে তিনি পরিচিত। কিন্তু তিনি সব সময় নিজেকে রাখেন সংযমী, পরিমিত। ক্লান্তিহীন মানুষটির মুখে হাসি লেগে থাকে সারাক্ষণ। বিশ্বের মানুষের আশার প্রদীপ তিনি। এ মুহূর্তে বিশ্বকে বদলে দেওয়ার জন্য যে কয়েকজন ব্যক্তির দিকে বিশ্ব তাকিয়ে থাকে তাঁদের মধ্যে তিনি একজন। তার পরও তিনি নির্মোহ। এ মানুষটি শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের গর্বের প্রতীক। তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বিশ্ব যখন হিংসা, হানাহানি, দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নানা রকম সংকটে হিমশিম খাচ্ছে, সে সময় তিনি যেন আলোর মশাল জ্বালিয়ে আছেন। তিনি বিশ্বের আলোকবর্তিকা। বাংলাদেশের এক অপার সৌভাগ্য যে, এ বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব, বিশ্বের পথপ্রদর্শক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন বাংলাদেশের হাল ধরেছেন। ৫ আগস্ট গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। এ পতনের পরপরই ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আকাক্সক্ষার প্রতীক হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৮ আগস্ট তিনি এক সংকটময়, নাজুক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের হাল ধরেছেন। ছয় মাস তিনি বিপরীত স্রোতে সাঁতার কেটেছেন। একটি লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া দেশ তিনি টেনে তোলার নিরন্তর চেষ্টা করছেন। তাঁর সঙ্গে আছে পুরো বিশ্ব। বাংলাদেশকে গত ছয় মাসে তিনি নিয়ে গেছেন অনন্য সম্মানের মর্যাদায়। প্রভাবশালী ইকোনমিস্ট পত্রিকা বাংলাদেশকে কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করেছে তাঁর জন্যই।

বিশ্ব বদলে দেওয়ার জন্য যেসব স্বপ্নদ্রষ্টা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ড. ইউনূস অন্যতম। ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর থ্রি জিরোতত্ত্ব সারা বিশ্বকে নিরাপদ, দারিদ্র্যমুক্ত এবং ঝুঁকিমুক্ত করার জন্য এখন আলোচিত। এটাই এখন বিশ্বশান্তির কার্যকর রোল মডেল। নারীর ক্ষমতায়ন, তারুণ্যের শক্তি কাজে লাগানো, দারিদ্র্যমোচন, কর্মসংস্থান, সামাজিক ব্যবসা এবং ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্বকে বদলে দেওয়ার রূপকার তিনি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক ঝুঁকি নিরসনের আন্দোলনের তিনিই পথপ্রদর্শক। দেশে দেশে তাঁর সামাজিক ব্যবসার ধারণা প্রশংসিত হচ্ছে, হচ্ছে জনপ্রিয়। বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সামাজিক ব্যবসার তত্ত্বই এখন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হিসেবে মনে করা হচ্ছে। সামাজিক ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটেছে বিশ্বের দেশে দেশে। আর এ রকম একজন বিরল ব্যক্তিত্ব যে বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন তা বাংলাদেশের জন্য চরম সৌভাগ্যের ব্যাপার। ড. মুহম্মদ ইউনূসের জীবন অধ্যবসায়, জ্ঞাননির্ভর। তিনি শুধু একজন পি ত নন, তাঁর জ্ঞান এবং আবিষ্কারের ব্যবহারিক প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। তিনি সারা জীবন গবেষণা করেছেন, অনুসন্ধান করেছেন, আবিষ্কার করেছেন। তার প্রয়োগ ঘটিয়ে মানুষের ভাগ্য বদল করেছেন। মেহনতি মানুষ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নের জন্য নিজের জীবন সঁপে দিয়েছেন। এখন বাংলাদেশ তাঁর অভিজ্ঞতায় সিক্ত হচ্ছে। বিশ্বের হতদরিদ্র মানুষের যেমন তিনি আলোর দিশারি, তেমন বাংলাদেশের জন্য তিনি লাইটহাউস। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অসাধারণ এ জীবন যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখব, মেধাবী, অধ্যবসায় এ মানুষটি আসলে রাজনীতি না করেও মানুষের জন্য উৎসর্গীকৃত এক প্রাণ। তাঁর বেড়ে ওঠা, বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি সবই মানুষের ভাগ্যবদলের প্রেরণায় পরিচালিত। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যখন উচ্চশিক্ষার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন, তখনো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তাঁর জায়গা থেকে কাজ করেছেন, রেখেছেন বিরল অবদান। মুক্তিযুদ্ধের পর দেশে ফিরে এসে তিনি আরাম-আয়েশের জীবন ত্যাগ করে চলে যান প্রত্যন্ত গ্রামে, সেখানে তিনি দরিদ্র মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের পথ খোঁজেন। যখন তিনি খুঁজে পান পথের দিশা সেই জোবরা গ্রামে, তখন তিনি শুরু করেন ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম। এজন্য তাঁকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে এবং নানা রকম নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু একজন মানুষ যদি মেধাবী হন, অধ্যবসায়ী হন এবং তার লক্ষ্য যদি সততায় ভরা থাকে তাহলে সে লক্ষ্য থেকে তাকে কেউ বিচ্যুত করতে পারে না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিল তিল করে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক গড়েছেন। একসময় এ ব্যাংক দেশের প্রান্তিক দরিদ্র মানুষের চেহারা পাল্টে দিয়েছে। হতদরিদ্র মানুষ যাদের জীবনে কোনো স্বপ্ন ছিল না, যারা দুই বেলা দুই মুঠো খেতে পারত না, তাদের তিনি স্বাবলম্বী করেছেন, আত্মনির্ভর করেছেন। ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে তারা নিজেদের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। তাদের সন্তানসন্ততিদের লেখাপড়ার সুযোগ হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংক শুধু একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প নয়, এটি সমাজ বদলে দেওয়ার এক অসাধারণ শান্তির আন্দোলন।

এ কথা তো আমরা সবাই জানি, দারিদ্র্যের কোনো দেশ নেই। দারিদ্র্যের কোনো ভাষা নেই। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাই তাঁর গ্রামীণ ব্যাংকের চিন্তাভাবনা ছড়িয়ে দিয়েছেন সারা বিশ্বে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস থেকে শুরু করে আফ্রিকা, জাপান, ইউরোপ, এমনকি ভারতেও ক্ষুদ্রঋণের বিস্তার হয়েছে। বিশ্বদারিদ্র্য বিমোচনে গ্রামীণ ব্যাংক অনন্য অনুকরণীয় মডেল। এ ক্ষুদ্রঋণের কারণেই আজ প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য বদলে গেছে। না হলে দারিদ্র্যের শৃঙ্খল থেকে বাংলাদেশের মুক্তি হতো না। এ বিশ্বে কতগুলো দুর্ভিক্ষ হতো কে জানে। আর এ কারণেই ড. মুহম্মদ ইউনূসকে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এ পুরস্কার লাভ করেন। কিন্তু এর আগেই ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বে একজন আলোচিত, প্রশংসিত এবং দৃষ্টান্তস্থাপনকারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্ভাবনী ধারণা বাস্তবায়নের জন্য ১৯৮৪ সালে এশিয়ার নোবেল হিসেবে পরিচিত র‌্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের ক্ষমতায়নে তাঁর ক্ষুদ্রঋণ মডেলের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এখানে বলে রাখা ভালো, গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পিছিয়ে পড়া নারীদের মালিকানা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে কর্মসংস্থানে নারীর অংশগ্রহণ শুধু বাড়েনি, তাদের ক্ষমতায়ন ঘটেছে এবং বাংলাদেশে নারী জাগরণের ক্ষেত্রে এক নীরব বিপ্লব করেছে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস। গ্রামীণ ব্যাংক এ দেশে নারী জাগরণের পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৭ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অবদানকে স্বীকৃতি দেয় এবং তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়। এ স্বাধীনতা পুরস্কারের মাধ্যমে ড. ইউনূস যতটা না সম্মানিত হয়েছেন, তার চেয়ে সম্মানিত হয়েছে স্বাধীনতা পুরস্কার। কিন্তু এ দেশে ঘৃণ্য রাজনৈতিক চক্রান্তে তাঁকে অপমান-অপদস্থ করা হয়েছে। দাঁড় করানো হয়েছিল খাঁচার কাঠগড়ায়।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্ব নানাভাবে মূল্যায়ন করে। বিশ্ব মানবকল্যাণে তাঁর অবদান বহুমাত্রিক। এ মুহূর্তে বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য তিনি নেশন বিল্ডার হিসেবে ভূষিত হয়েছেন। গণ অভ্যুত্থানের পর বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি এ নেশন বিল্ডার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। গত ৭ ডিসেম্বর বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার এ উপাধি দিয়েছে। নেচারের সেরা ১০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় ৭ নম্বরে রাখা হয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে। ২০২৪ সালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিত্বদের এ খেতাব দেওয়া হয়। এ নেশন বিল্ডার খেতাব নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের অর্জন। এ ছাড়া সম্প্রতি বিশ্বের প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে জায়গা পেয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের প্রভাব ও অবদান পর্যালোচনা করে প্রকাশিত হয় দ্য মুসলিম ৫০০ : দ্য ওয়ার্ল্ডস ৫০০ মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল মুসলিমস। এ তালিকায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম আছে ৫০ নম্বরে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কর্মক্ষেত্রের মূল জায়গা মানবকল্যাণ। মানবকল্যাণের সব শাখাতেই তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি একদিকে যেমন নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারীর অধিকারের লড়াইয়ে অগ্রযোদ্ধা, অন্যদিকে তারুণ্যের জন্য পৃথিবী বিনির্মাণে তিনিই বিশ্বের প্রধান কণ্ঠস্বর। তিনি নারী জাগরণের জন্য কাজ করছেন বিশ্বজুড়ে। তিনি তারুণ্যের জয়গাথা গেয়েছেন, তারুণ্যের নেতৃত্বের কথা বলেছেন। বাংলাদেশে যার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন। তিনি তারুণ্যের শক্তিতে বিশ্বাস করেন। তরুণরাই যে বিশ্ব বদলে দিতে পারে এ ভাবনায় তিনি জাগরিত। সে ভাবনার কারণে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ক্রীড়া এবং সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন। আর এ কারণে তিনি স্বীকৃতিও পেয়েছেন। ক্রীড়াজগতে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতির জন্য ২০২৩ সালে ওয়ার্ল্ড ফুটবল সামিটের (ডব্লিউএফএস) আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ওই বছর ১১ ডিসেম্বর সৌদি আরবের জেদ্দায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। তারুণ্যের জয়গানের জন্যই তিনি বিশ্ব ক্রীড়ার ক্ষেত্রগুলোয় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখেন। আর বিশ্ব তাঁর প্রজ্ঞা, জ্ঞান গ্রহণ করে তাঁর অভিজ্ঞতায় সিক্ত হয়ে আলোকিত হয়, বিকশিত হয়। ২০২১ সালে অলিম্পিকে তিনি অলিম্পিক লরেল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। শিক্ষা, সংস্কৃতি, উন্নয়ন ও শান্তিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য অলিম্পিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। জাপানের রাজধানী টোকিওতে অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০২১ সালের ৯ নভেম্বর জাতিসংঘ ফাউন্ডেশনের চ্যাম্পিয়ন অব গ্লোবাল চেঞ্জ পুরস্কার পেয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নিউইয়র্কে আয়োজিত উই দ্য পিপলস অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়। আর গর্বের বিষয় হলো যৌথভাবে এ পুরস্কার পেয়েছেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. এনগোজি ওকনজো-ইওয়েইলা। বিশ্বব্যাপী ক্ষুদ্রঋণ এবং নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য ২০১৯ সালে তিনি পান গ্লোবাল উইমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড। তবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গৌরবময় যে সম্মান বয়ে নিয়ে এসেছেন সেটি ২০০৯ সালে। প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম-এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশকে অনন্য মর্যাদা এনে দিয়েছেন। আমাদের নিশ্চয়ই মনে থাকার কথা, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়েছিল তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের স্বাধীনতা মেনে নিতে চায়নি। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের পরও হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। আর সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তিনি সর্বোচ্চ সম্মান পান। এটি বাংলাদেশের জন্য একটা বিরাট অর্জন। প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডমের মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে পরিচিত করেন। এর ফলে বাংলাদেশ সম্মানিত হয়। দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রামরত একটি দেশের একজন ব্যক্তিত্বের এ বিশাল অর্জন আসলে বাংলাদেশকেই সম্মানিত করেছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর কর্মজীবনের শুরু থেকেই উদ্ভাবনী প্রাণশক্তিতে ভরপুর। সাধারণ মানুষের চিন্তার পরিধি যেখানে শেষ, সেখানেই যেন ড. ইউনূসের ভাবনা শুরু। আর এ কারণেই সারা বিশ্ব তাঁর অবদানকে একের পর এক স্বীকৃতি দিয়েছে। এসব স্বীকৃতি তাঁকে আরও প্রাণশক্তি দিয়েছে, দিয়েছে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উৎসাহ। ড. মুহাম্মদ ইউনূস যত আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও স্বীকৃতি পেয়েছেন পৃথিবীর খুব কম মানুষই এত সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ১৯৮৯ সালে দারিদ্র্যবিমোচন এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তিনি পান আগা খান অ্যাওয়ার্ড। ১৯৯৩ সালে তিনি কেয়ার পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯৪ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি পান বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার। যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে দেয় পিফার শান্তি পুরস্কার। ১৯৯৫ সালে সুইজারল্যান্ড তাঁকে ম্যাক্স সছমিধেইনি ফাউন্ডেশন ফ্রিডম পুরস্কার প্রদান করে। আর ১৯৯৬ সালে তিনি পান আন্তর্জাতিক সাইমন বলিভার পুরস্কার। একই বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যানডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিশিষ্ট আলামনাই হিসেবে তাঁকে পুরস্কার দেয়। ১৯৯৭ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড সম্মেলন, জুরিখে সম্মানিত হন। একই বছরে পান আন্তর্জাতিক অ্যাকটিভিটিস্ট পুরস্কার। তাঁর গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ ধারণার জন্য তিনি ১৯৯৭ সালে জার্মানির প্লানেটরি কনশিয়াশনেস বিজনেস ইনোভেশন পুরস্কার পান। নরওয়ে তাঁকে হেলপ ফর সেলফ হেলপ পুরস্কারে ভূষিত করে একই বছরে। ইতালি থেকে তিনি পান শান্তি মানব (ম্যান ফর পিস অ্যাওয়ার্ড) আর যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে দেয় বিশ্ব ফোরাম পুরস্কার।

জ্ঞান, গবেষণার ব্যবহারিক প্রয়োগ ঘটিয়ে বিশ্বকে বদলে দেওয়া মানুষেরা হন ক্ষণজন্মা। বিশ্ব ইতিহাসে এ ধরনের মানুষের সংখ্যা হাতেগোনা। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তেমনি এক ব্যক্তি। এটা বাংলাদেশের বিরল সৌভাগ্য যে, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের নেতা তিনি। তাঁর হাতেই বাংলাদেশ বিশ্বে জায়গা করে নেবে নতুন পরিচয়ে।

এই বিভাগের আরও খবর
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা