পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম বলেছেন, কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে ইজতেমা ময়দান। বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে পুরো ময়দান নি-িদ্র নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসা হবে। পুরো ময়দান সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। ইজতেমা ময়দান ও আশপাশ এলাকায় প্রায় ৬ হাজার পোশাকি পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পুরো ইজতেমা ময়দান ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। তিন পর্বের ইজতেমা চলাকালে পুরো ময়দান ও আশপাশ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে।
গতকাল দুপুরে ইজতেমা ময়দানের বিদেশি নিবাসের পাশে স্থাপিত গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় ছিলেন জিএমপি কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান, উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ দক্ষিণ) এন এম নাসিরুদ্দিন, সিটি এসবির উপপুলিশ কমিশনার আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ দক্ষিণ) হাফিজুল ইসলাম, সহকারী উপপুলিশ কমিশনার (টঙ্গী জোন) মেহেদি হাসান দিপু, ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরুব্বি প্রকৌশলী মাহফুজ হান্নান, মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান, গাজীপুর মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুুরুল করিম রনি, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপি সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সাধারণ সম্পাদক গাজী সালাহ উদ্দিন প্রমুখ।
পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেন, এবারের ইজতেমাটি অন্যরকম, কারণ বিগত আন্দোলনে পুলিশের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র খোয়া গেছে এবং দেশের অনেক জেলখানার অস্ত্র লুট হয়েছে। অনেক অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের পাশাপাশি ইজতেমা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী ময়দানের নিরাপত্তায় থাকবেন। ইজতেমা ময়দানে কয়েক স্তরে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ময়দানের চারপাশে পোশাকধারী, সাদা পোশাকে, ড্রোন ভিউ, সিআইডি, ডিবি, সিসিটিভি মনিটরিং, নাইটভিশন ক্যামেরা, রুফটপ পর্যবেক্ষণ, ওয়াচ টাওয়ারসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবে।