নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব হয় এমন কিছুতে আপত্তি জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। গতকাল নির্বাচন ভবনে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সিইসি। এদিকে আগামী সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন সিইসি। ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার গণমাধ্যমকে জানান, পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন করতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে ইইউ। বৈঠকে নির্বাচনি ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশের বিষয়টি তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার বিষয়ে জোর দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, ‘আমাদের ওপিনিয়ন (মতামত) দিয়েছি। একটা বিষয়ে আমি জোর দিয়েছি, আপনাদেরও বলেছি। ইসির যে স্বাধীনতা সংবিধান দিয়েছে, সেটা যেন গ্র্যান্টেড থাকে, সেটা জানিয়েছি, এটা বটম লাইন। কোনোভাবে ইসির স্বাধীনতা কম্প্রমাইজ (খর্ব) হোক এটা আমরা চাই না। তারাও জানিয়েছে, এটা তারা অ্যাপ্রেশিয়েট (প্রশংসা) করেছে, তারা বিশ্বাস করেন ইসির স্বাধীন থাকতে হবে। তা না হলে জাতি ইসির কাছে যা প্রত্যাশা করেছে তা ডেলিভার করতে পারবে না।’
সিইসি আরও বলেন, নির্বাচনের পথে যত ধরনের সহায়তা দরকার তারা নিশ্চিত করেছে। টাইমটা একটু কম হয়ে যাচ্ছে বলে (ইইউ) মনে করছে রিফর্মের জন্য; উনারা রিফর্মের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ভোট কবে হবে সেভাবে আলোচনা হয়নি। উনারা তো জানেন হয় ডিসেম্বর, বেশি রিফর্ম হলে আগামী বছরের শুরুতে। আমি তো এর বাইরে কিছু বলতে পারব না। সিইসি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা আসলে জানতে চেয়েছেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য যে নির্বাচনটা হবে তার জন্য নির্বাচন কমিশন কতটুকু প্রস্তুত। কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভোটার নিবন্ধন থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে যাওয়ার জন্য কত সময় লাগবে এসব জানতে চেয়েছেন তারা।