শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫

সাক্ষাৎকার

শিক্ষা না নিলে আওয়ামী লীগের চেয়েও শোচনীয় গ্লানি

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম
শফিকুল ইসলাম সোহাগ
প্রিন্ট ভার্সন
শিক্ষা না নিলে আওয়ামী লীগের চেয়েও শোচনীয় গ্লানি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই বলেছেন, আগামীতে যে দল রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে তারা যদি অতীত থেকে শিক্ষা না নেয় তাহলে আওয়ামী লীগের চেয়েও শোচনীয় গ্লানি বহন করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তিনটি নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষকে যেভাবে ভোটের অধিকারবঞ্চিত করেছে তাতে অন্তত আগামী তিনটি জাতীয় নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারবে না। এ ছাড়া তারা যে অপকর্ম করেছে যেমন খুন, গুম, টাকা পাচার- এই বিচারগুলো নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা জাতীয় নির্বাচনে আসতে পারবে না। গত রবিবার ইসলামী আন্দোলনের পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনি প্রস্তুতি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ সামগ্রিক বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : দেশ কেমন চলছে বলে আপনি মনে করেন।

পীর চরমোনাই : স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর বিশ্বের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে, আমরা কোনো দিক থেকেই ভালো করতে পারিনি। স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের যে চাওয়া ছিল, বাস্তবে আমরা তা পাইনি। এর কারণ হলো, যেসব দল রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, তারা ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থ অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে দেশটা ওভাবে উন্নয়ন হয়নি। তবে ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুথানে ৫ আগস্ট দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা লাভের পর নতুনভাবে দেশকে সাজানোর সুযোগ হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সংস্কার কার্যক্রম কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন?

পীর চরমোনাই : কমিশনগুলো যেভাবে দ্রুত ও বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজগুলো করার কথা ছিল বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি না। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন, গত ৫৩ বছর যে পদ্ধতিতে ভোট হয়েছে সবগুলোই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। ফ্যাসিবাদের ছোবল, পেশিশক্তি ও কলোটাকার দৌরাত্ম্য এসব কারণে ভালো প্রতিনিধি সংসদে পাঠানো যায়নি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের তিনটি ভোট নির্বাচনের মধ্যেই পড়ে না। দিনের ভোট রাতে, আগেই ব্যালট বাক্স ভরে রেখেছে। পৃথিবীর ৯১টি দেশের মতো পিআর পদ্ধতিতে আমরা নির্বাচন চেয়েছি। পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে বর্তমান পদ্ধতির চেয়ে অনেক ভালো নির্বাচন হবে। প্রায় সব দলই দেশ পরিচালনায় দায়িত্ব পাবে। এ পদ্ধতি দেশ ও মানবতার কল্যাণের জন্য ভালো। বিএনপি ছাড়া প্রায় সব দল এতে মত দিয়েছে। হয়তো দলীয় ও ব্যক্তিস্বার্থে বিএনপি এই পদ্ধতি গ্রহণ করতে চায় না। আগামীতে এই পদ্ধতিতে ভোট হলে হয়তো বিএনপিই সরকার গঠন করবে। কিন্তু এটা তারা চায় না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামী নির্বাচন কবে হওয়া উচিত?

পীর চরমোনাই : বর্তমান সরকারের অনেক উপদেষ্টার যোগ্যতার বিষয়ে প্রশ্ন আসছে। অনেকের বয়সের ব্যাপারেও প্রশ্ন আসছে। সংস্কারের জন্য কিছু সময় লাগবে কিন্তু সময়টা অযৌক্তিক হতে পারে না। সময়টা হতে হবে যৌক্তিক। নিয়ম ছাড়া কিছু করলে মানুষ মেনে নেবে না। দায়িত্ব গ্রহণের এক-দেড় বছরের মধ্যেই নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হওয়া প্রয়োজন। প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন নিয়ে যে ঘোষণা দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করবেন বলে আশা করছি। এর ব্যতিক্রম করলে তারা ভুল করবে। উপদেষ্টা পরিষদে এমন কেউ কেউ আছেন যাঁদের ছাত্ররা পছন্দ করেন না, তাঁদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই লোকগুলোকে আমরা পরিবর্তনের দাবি করেছিলাম। সরকার এতে গুরুত্ব দেয়নি। সংবিধান পুরোপুরি পরিবর্তন না করে ফ্যাসিস্ট সরকার সাড়ে ১৫ বছরে দলীয় স্বার্থে সংবিধানে যা পরিবর্তন এনেছে, তা বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় বিষয় সংযোজন করে সংশোধন করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামী নির্বাচন নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রস্তুতি কত দূর?

পীর চরমোনই : আমরা নির্বাচনমুখী দল। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছি। আমরা পিআর পদ্ধতিতে বেশি জোর দিচ্ছি। এ প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি নয় দলকে ভোট দেবে জনগণ। আগের পদ্ধতিতে ভোট করে কালোটাকা পেশিশক্তিওয়ালাদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছাত্ররা জীবন দেয়নি। আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরু হলে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে হাতপাখা প্রতীকে ভোট করব। জোট করার বিষয়ে সমমনা ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি। আলোচনা অনেকটা এগিয়েছি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। তারাও চাচ্ছে এমনটি। বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ছাত্রদের নতুন দল গঠনকে কীভাবে দেখেন। আলোচনা রয়েছে কিংস পার্টি গঠন না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন বিলম্বিত হবে। কি মনে করেন?

পীর চরমোনাই : রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে। মানুষ দেখবে কাদের মাধ্যমে দেশ ভালো চলবে। তাদের জনগণ ভোটের মাধ্যমে বেছে নেবে। তবে তারা দল গঠন না করা পর্যন্ত নির্বাচন বিলম্বিত হবে এমন কোনো কথা আমরা সরকারের পক্ষ থেকে পাইনি। এ কথার কোনো ভিত্তি নেই।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামীতে কেমন শাসক হওয়া উচিত?

পীর চরমোনাই : আওয়ামী লীগের শাসনামল ছিল ভারতের স্বার্থে। আওয়ামী লীগ ভারতকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অপশাসনে অতীষ্ঠ হয়ে ৯০ শতাংশ মানুষ ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুথানে অংশ নিয়েছে। এ থেকে যত রাজনৈতিক দল আছে সবার শিক্ষা নেওয়া উচিত। কারণ শিক্ষা না নিলে এর চেয়ে শোচনীয় গ্লানি বহন করতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত?

পীর চরমোনাই : সরকারের উচিত ছিল ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষের আয় কীভাবে বাড়বে সেদিকে নজর দেওয়া। সেদিকে গুরুত্ব না দিয়ে নতুন করে ভ্যাট বসিয়ে দিল। এটি দেশের মানুষের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ভ্যাট বাড়বে, ভ্যাট দিতে হবে, সব ঠিক আছে। কিন্তু মানুষের আয়ের বিষয়টিও দেখতে হবে। দেশের ব্যবসা সেক্টরগুলো অগোছালো। এখানে সিন্ডিকেট সর্বত্র। এ বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। যেভাবে গুরুত্ব আশা করেছিলাম সেভাবে পাইনি। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের ভালো সুসম্পর্ক রাখা উচিত। নইলে দেশ চলবে কীভাবে?

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যেন অংশ নিতে না পারে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে। আপনি কি মনে করেন?

পীর চরমোনাই : আওয়ামী লীগ গত তিনটি নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষকে যেভাবে ভোটের অধিকারবঞ্চিত করেছে তাতে অন্তত আগামী তিনটি জাতীয় নির্বাচনে তারা যেন অংশ নিতে না পারে। এ ছাড়া তারা যে অপকর্ম করেছে যেমন খুন, গুম, টাকা পাচার এই বিচারগুলো নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা জাতীয় নির্বাচনে আসতে পারবে না। এটা দেশের জনগণ এবং ছাত্র-জনতারও দাবি। রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য। তাদের খুন-গুমের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজনীতিতে আসতে পারবে না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবি উঠেছে। আপনি কি মনে করেন?

পীর চরমোনাই : ভারতের সঙ্গে এ নিয়ে আমাদের চুক্তি রয়েছে। অপরাধীর বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। শেখ হাসিনা দেশে এত বড় অত্যাচার, অরাজকতা করল। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত তাঁকে ফিরিয়ে না দিলে আন্তর্জাতিক আইন বা তাদের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি তা লঙ্ঘন হবে। এটা হওয়া উচিত না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সরকারের কাছে প্রত্যাশা কী?

পীর চরমোনাই : গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করার জন্য কল্যাণময় দেশ প্রতিষ্ঠার কাজগুলো সরকারের কাছে আশা করছি। বিতর্কিত কাজ যেন তারা না করে। বর্তমান সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হলে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ব্যাহত হবে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, মৌলিক চাহিদা যেন পূরণ করতে পারে, সে প্রত্যাশা ও দাবি জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

পীর চরমোনাই : বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং আপনাকেও ধন্যবাদ।

এই বিভাগের আরও খবর
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা