‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে খসড়াটি বৃহস্পতিবার অনুমোদিত হয়। শিগগিরই লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের রুটিন ভেটিং সাপেক্ষে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত হবে আশা করা যাচ্ছে।
জানা যায়, প্রধান বিচারপতি ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কার রোডম্যাপের পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়নে বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দেশের বিচার বিভাগের মানোন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২১ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ‘ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে’ অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল এবং দেশের জেলা আদালতসমূহের বিচারকদের সামনে বিচার বিভাগ আধুনিকায়নের রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। এ রোডম্যাপে উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগের জন্য একটি স্বাধীন ‘জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ গঠন করার বিষয়ে তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সুপ্রিম কোর্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত আইন, বিধিবিধান, উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত, প্রথাসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিশদ গবেষণা করে একটি প্রস্তাব গত ২৮ অক্টোবর আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়।