জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, কুড়িগ্রামে মার্চ ফর ফেলানী থেকে বলতে চাই, আমরা বাংলাদেশের সীমান্তে কোনো লাশ দেখতে চাই না। বাংলাদেশের যত নাগরিককে সীমান্তে লাশ করা হয়েছে তার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে করতে হবে। আর যদি সীমান্তে কাঁটাতারে কোনো লাশ ঝুলে থাকে, তাহলে কাঁটাতার লক্ষ করে লংমার্চ করা হবে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় কুড়িগ্রামের জেলা শহরের কলেজ মোড় থেকে শুরু হয় মার্চ ফর ফেলানী লংমার্চ। কুড়িগ্রামের নাগশ্বরী উপজেলা রামখানা ইউনিয়নের ফেলানীর বাড়ির পাশের নাখারগঞ্জ বাজারে সমাবেশের মাধ্যমে শেষে হবে লংমার্চ। এতে আরও উপস্থিত রয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, সদস্যসচিব আরিফ সোহেল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দপ্তর সম্পাদক জাহিদ আহসান, সমন্বয়ক রকিব মাসুদ প্রমুখ। লংমার্চে ফেলানীর বাবা নুর ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। লংমার্চের শুরুতে ফেলানী হত্যাসহ সীমান্তে সব নাগরিক হত্যার বিচার, সীমান্তে মরণঘাতী অস্ত্র বন্ধ, শহীদ ফেলানীর নামে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবনের নামকরণ, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বাতিল করে সাম্যের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ ও কুড়িগ্রামের চরের জীবনজীবিক উন্নয়নে নদী সংস্কারের ৫ দফা দাবি জানানো হয়। সারজিস আলম আরও বলেন, ছাত্র-জনতা আন্দোলনের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ দিয়েছে সেই ছাত্র-জনতা নতজানু পররাষ্ট্রনীতি মেনে নিবে না।
আগামীতে বাংলাদেশে যারাই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা যদি ক্ষমতা আকড়ে ধরার জন্য কোনো দেশের দালাল হন তাহলে তাদের পরিণতি খুনি হাসিনার মতো হবে।