প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো বেশি সংস্কার না চাইলে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হবে। তবে সংস্কার বেশি চাইলে আরও ছয় মাস বেশি সময় দিতে হবে। গতকাল রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে (কেআইবি) ‘রাজনীতির অভিমুখ : সংস্কার ও নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহাদি আমিন, দৈনিক সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খান প্রমুখ। শফিকুল আলম বলেন, ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ নিয়ে সরকার ভাবছে না। তবে লুটপাট-দুর্নীতি ও জুলাই-আগস্টে গণহত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার একটি রোডম্যাপ দিয়েছে। সেই রোডম্যাপের মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে একটি জনআকাক্সক্ষা তৈরি হয়েছে। সরকার নির্বাচনের জন্য দুটি সময় বেঁধে দিয়েছে। যদি রাজনৈতিক দলগুলো বেশি সংস্কার না চায়, তাহলে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা হবে। আর রাজনৈতিক দলগুলো যদি মনে করে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সংস্কার করে যাওয়া উচিত, তাহলে ভোটের জন্য সরকার আরও ছয় মাস সময় নেবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই ভালো একটা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত সংস্কারে গঠিত ছয় কমিশন ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। এরপর সবার সঙ্গে আলোচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতন এবং অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের মানুষের মধ্যে আকাশচুম্বী আকাক্সক্ষা তৈরি হয়েছে। আমরা তাদের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা দেশকে অনেকটা স্থিতিশীলতার মধ্যে নিয়ে আসতে পেরেছি। অর্থনীতি যে গতিতে এগোচ্ছিল সে হিসেবে বর্তমান রিজার্ভ থাকার কথা ছিল ২০ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু বর্তমানে তা আছে ২২ বিলিয়ন ডলারে। সে হিসেবে বলতে পারি আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি।