শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

দোষেগুণে গাজীপুর

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
দোষেগুণে গাজীপুর

সপ্তাহজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল রাজধানী ঢাকার নিকটতম জেলা গাজীপুর। নানা কারণে এটি আলোচিত-সমালোচিত এক জনপদ। বেশ কদিন আগে থেকেই গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় বিশ্ব ইজতেমার মাঠে কোন পন্থিরা আগে মাঠে থাকবেন, এ নিয়ে উত্তপ্ত ছিল পরিস্থিতি। যাঁরা মুসলমানদের শান্তির ধর্ম ইসলামের দাওয়াত দেন, তাঁরা কেমন করে অপর মুসলমানের রক্ত ঝরান, তা বুঝতে কষ্ট হয়। এ সপ্তাহে ইজতেমা মাঠে রক্ত না ঝরলেও রক্ত ঝরেছে গাজীপুর মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত দক্ষিণখানে। এই এলাকায় বিগত সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিগত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনার সরাসরি বক্তব্য প্রদানকে কেন্দ্র করে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি, সুধা সদনসহ দেশব্যাপী গুটি কয়েক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর বাড়িতে একযোগে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। একই ধারাবাহিকতায় সাবেক মন্ত্রীর বাড়িতেও যে আক্রমণ হবে, এটা অবধারিত ছিল। তবে ঘটনাদৃষ্টে মনে হয়, সবাই জানলেও এমন আক্রমণ হওয়ার কোনো পূর্বাভাস পায়নি একমাত্র পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। এরই মধ্যে ওই বাড়িতে আক্রমণ হলো। কিন্তু কে বা কারা মসজিদ থেকে মাইকযোগে এমন আক্রমণকে এলাকায় ডাকাতের হামলা বলে ঘোষণা দিল এবং ডাকাতদের শায়েস্তা করতে সবাইকে উত্তেজিত করল, এখনো জানা গেল না। অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের আক্রমণে আহত হন ওই বাড়িতে আসা বা আশপাশের কিছু তরুণ। এঁদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী গতকাল বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তী সময়ে জানা যায়, ওই বাড়িতে আক্রমণের খবর শুনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা হামলাকারীদের ঠেকাতে মূলত সেখানে গিয়েছিলেন, যাঁরা আক্রমণের শিকার হন। 

এরপর বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা এলাকায় পৌঁছে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার ও স্থানীয় শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। এ সময় আহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি কিছু বক্তব্য ও ছবি বা ভিডিওচিত্র প্রচারিত হয়। ফলে অশান্ত হয়ে ওঠে গোটা দেশ। গাজীপুরে বড় রকমের শোডাউন করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের কেন্দ্রীয় নেতারা। তবে নেতারা গাজীপুর ছেড়ে চলে যাওয়ার পরপরই আহত হন একজন স্থানীয় ছাত্রনেতা। এরই মাঝে শুরু হয় অপারেশন ডেভিল হান্ট

দোষেগুণে গাজীপুরগাজীপুর থেকেই অপারেশন ডেভিল হান্টের সূচনা। তবে কি গাজীপুর ছিল ডেভিলদের সুতিকাগার? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে ফিরে তাকাতে হবে বিগত বছরগুলোর রাজনীতির দৃশ্যপটের দিকে। বিগত বেশ কিছু বছর ধরে রাজনীতিকে নির্বাসনে পাঠানোর এক উর্বর ক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল গাজীপুর। আ ক ম মোজাম্মেল হক মুক্তিযোদ্ধা হলেও মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বিশেষত হুমায়ূন আহমেদের মতো একজন বড় মাপের লেখক যখন গাজীপুরের একটি নারীকে পাশবিক নির্যাতন ও তাঁকে হত্যার ঘটনা উপন্যাসের পাতায় তুলে ধরেন, তখন বিব্রত হন ওই দলের সাধারণ নেতা-কর্মীরা। সম্প্রতি একজন অভিনেত্রী তাঁর পিতৃতুল্য সাবেক মন্ত্রী তাঁকে অশ্লীল প্রস্তাব দেওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছেন। তারও আগে আওয়ামী আমলে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় বহু মুক্তিযোদ্ধার নাম সংযুক্তি এবং অকাতরে নিত্যনতুন মুক্তিযোদ্ধার সনদ প্রদান ও রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সনদ বাতিলের কারণে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে তিনি সমালোচিত হন। জাতির কী দুর্ভাগ্য, ১৬ বছরেও গাজীপুরের মতো একটি জেলায় একজন মোজাম্মেল হকের বিকল্প তৈরি হয়নি। তাই ঘুরেফিরে মোজাম্মেলরাই সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হয়েছেন। গাজীপুরের অঘোষিত গাজী ছিলেন আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম। এই নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ মুজিবকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য প্রদান করায় দলীয় প্রধানের বিরাগভাজন হন। তবে তাঁর টাকার কাছে নিজ দলের নেতারাও বিক্রি হয়ে গিয়েছিলেন। তা ছাড়াও মাঠপর্যায়ে তাঁর টাকা সর্বস্তরে কথা বলেছে। ফলে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাঁর বদলে আজমত উল্লা খানকে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করা হলে, জাহাঙ্গীর তাঁর মাকে নির্বাচনে দাঁড় করান এবং জিতিয়ে আনেন। অনেকেই বলেন, জাহাঙ্গীরের ছিল হোন্ডা, গুন্ডা ও ডান্ডা। সেই সঙ্গে টাকা অর্থাৎ নোট মিশিয়ে তিনি পেয়ে যান ভোট। দল, মার্কা বা ব্যক্তিকে রাজনৈতিক মানদণ্ডে ভাবার চিরন্তন ভাবনায় চিড় ধরে গাজীপুরের রাজনীতিকে কেন্দ্র করে। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই- এমন প্রবাদকে মিথ্যা প্রমাণিত করে গাজীপুর দেখিয়েছে টাকাই রাজনীতিতে শেষ কথা।

রাজনীতিতে টাকা ও একজন জাহাঙ্গীর কেন বড় ফ্যাক্টর- তার কিছুটা ধারণা পাওয়া যাবে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণে। সেদিন আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে প্রায় একতরফা নির্বাচনের প্রাক্কালে ঢাকার পল্টনে মহাসমাবেশ ডেকেছিল বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। এই মহাসমাবেশকে ভন্ডুল করতে গাজীপুর থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে কয়েক ট্রাক ভর্তি যুবক পল্টনের দিকে যায়। তারা সংঘাত বাধায় কাকরাইলের মোড়ে থাকা বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। এরপর ঘটে বিচারপতিদের বাসভবনের গেটে আক্রমণ ও পুলিশের ওপর হামলা। এতে প্রাণ হারান একজন পুলিশ সদস্য। আর এমন সহিংসতাকে পুঁজি করে বিএনপির সব শীর্ষ নেতাকে আটক করা হয়, যাঁরা মুক্তি পান তথাকথিত নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে। বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর এমন আক্রমণকেই শেখ হাসিনার পতনের প্রথম সোপান মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে পেশিশক্তি ছিল রাজধানীর রাজনীতির মাঠ শান্ত কিংবা অশান্ত রাখার চালিকাশক্তি। নারায়ণগঞ্জের নারায়ণরা পট পরিবর্তনের পর আপাতত মৌনতা অবলম্বন করলেও গাজীপুরের গাজীরা রাজধানীবাসীর ঘুম হারাম করার হুমকি দিয়ে চলেছে, যা উদ্বেগজনক। রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতিতেও গাজীপুরের অবদান অসামান্য। দেশের মোট তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও সুতাশিল্প কারখানার বড় অংশ গড়ে উঠেছে গাজীপুর ও তার আশপাশের এলাকায়। বর্তমানে দেশের মোট শ্রমিকদেরও উল্লেখযোগ্য অংশ গাজীপুরে বসবাস করেন। গাজীপুরে আরও বসবাস করেন রাজধানীতে কর্মরত নিম্ন আয়ের কয়েক লাখ শ্রমিক-কর্মচারী, যাঁরা প্রতিদিন গাজীপুর থেকে ঢাকায় আসা-যাওয়া করেন। তাই মানবসম্পদে পরিপূর্ণ একটি জেলা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ গাজীপুর। এক গাজীপুরেই যত শ্রমিক আছেন, পৃথিবীর বহু দেশের মোট জনসংখ্যাও তার চেয়ে কম। দেশের টাকা ছাপানো হয় গাজীপুরের টাঁকশালে। গাজীপুর বিশ্বময় পরিচিত বিশ্ব ইজতেমা, আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্র, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ওআইসি পরিচালিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কল্যাণে। দেশের শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম মেরুদণ্ড জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান গাজীপুরে। এ ছাড়াও গাজীপুরে রয়েছে মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ বহু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

যোগাযোগব্যবস্থার দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশের উত্তরবঙ্গ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে স্থলপথে রাজধানীতে প্রবেশ ও নির্গমন গাজীপুরনির্ভর। দেশের বৃহত্তম রেল যোগাযোগ গড়ে উঠেছে গাজীপুরের বুক চিরে। নদীপথে বাংলাদেশের যে বাণিজ্য, তা গাজীপুরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি হলো অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যুদ্ধসরঞ্জাম। গাজীপুরেই রয়েছে সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের কারখানা ও মজুতকেন্দ্র। গাজীপুর নিয়ে আরও কিছু লিখার ইচ্ছে থাকলেও কলম থমকে গেল একটি খবর দেখে।

আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে পৃথিবীব্যাপী সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান নিচের দিক থেকে ১৪তম। কারণ যা-ই হোক, ফলাফল হলো বাংলাদেশের অবস্থান ও সূচক আগের চেয়ে আরও খারাপ হয়েছে। দুর্নীতি আর গাজীপুর একসঙ্গে যখন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল, তখন এক আড্ডায় ওঠা কিছু কথা মনে পড়ল। বন্ধুদের মধ্যে ছিলেন সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করা বেশ কজন। তাদের দৃষ্টিতে বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে আশীর্বাদপুষ্ট মানুষগুলোর পদায়ন হয় গাজীপুরে। এ জেলার জমির মালিকানা এমনই, জটিল, বিতর্কিত ও দুর্বোধ্য, জমির ক্রয়বিক্রয় ও শ্রেণি পরিবর্তনের সময় অবৈধ টাকার ঢল নামে। গাজীপুরের ইটভাটা ও কলকারখানাগুলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ফায়ার ব্রিগেড এবং শিল্প-কলকারখানা পরিদর্শনসহ নানা সরকারি দপ্তরের লোভী ও বিপথগামী মানুষকে আয়-আয় বলে ডাকে। রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ গাজীপুরের ইটভাটা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নজরদারির অভাব। গাজীপুরের পুলিশ বিভাগ ও কাশিমপুর কারাগারে কিছুদিন চাকরি করেই অবৈধ আয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষের ভাগ্য খুলে যায়। বিআরটি নামক গাজীপুরের একটি রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ দেখিয়ে দিয়েছে দুর্নীতি, মোটা বুদ্ধি ও অব্যবস্থাপনা কাকে বলে, কত প্রকার ও কী কী? রাজধানীতে মাদকের জোগান আসে গাজীপুর হয়ে। গাজীপুরের বনের গাছ ও জমির পরিমাণ কমতে থাকে বন বিভাগের কর্তাব্যক্তিদের বদান্যতায়। দেশবিদেশে একশ্রেণির বন কর্মকর্তার সম্পদ বাড়ার অন্যতম অনুষঙ্গ গাজীপুরের বন বিভাগের গাছ ও জমির মালিকানা হ্রাস পাওয়া। গাজীপুরের নদনদী ও খালবিলের পানিতে এত রাসায়নিক কোথা থেকে আসে, কেউ তা জানে না। অথচ তা দেখার জন্য গাজীপুরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কতজন আছেন, তার হিসাব সম্ভবত স্বয়ং জেলার অভিভাবকও জানেন কি না, সন্দেহ। সড়কপথে চাঁদা আদায়ের তীর্থভূমিও গাজীপুর। অন্যদিকে ঝুট ব্যবসা ও স্টকলট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আধিপত্যবাদ, অগ্নিসংযোগ, সংঘর্ষ এমনকি হত্যাকাণ্ড গাজীপুরের মাটিকে বারবার রক্তে রঞ্জিত করেছে।

দেশের সর্বশক্তি প্রয়োগ করে গাজীপুরকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারলেই দেশের চেহারা ও দুর্নীতিতে দেশের অবস্থান পাল্টে যেতে বাধ্য। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে- কে সেই গাজী? একসময় স্লোগান ছিল মরলে শহীদ, বাঁচলে গাজী, আমরা সবাই মরতে রাজি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এমন স্লোগান দেওয়ার মতো কেউ আছে কি?

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

Email: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১ সেকেন্ড আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

২৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৩৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৩৬ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৫৮ মিনিট আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৫৯ মিনিট আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা