শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩৬, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫

দৃশ্যত উপকার, কার্যত অন্ধকার

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
দৃশ্যত উপকার, কার্যত অন্ধকার

জন্ম ও বেড়ে ওঠা আমার যে শহরে, সেখানে রাস্তার পাশে উত্তর-দক্ষিণে প্রায় আট শ ফুট দৈর্ঘ্য ও দেড় শ ফুট প্রস্থ এক জলাশয়ে ‘মিয়া মৎস্য খামার’। গণপূর্ত বিভাগের মালিকানাধীন জলাশয়। ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করা হচ্ছে মনে করেছিলাম। ভুল। সবই ভুল। রাজনীতিক মনশাদ উল্লাহ মিয়ার নেতৃত্বে এই খামারে মাছের চাষ চলছে। ইজারা নিতে হবে কেন? প্রাদেশিক গভর্নর আবদুল মোনায়েম খান, যাকে সম্বোধন করেন ‘ছোটভাই’ তার অভিধানে ইজারা নামে কোনো শব্দ নাই।

প্রচারবিদরা বলেছেন, চার মাস অন্তর খামারের মাছ বিক্রি করা হবে। খামারে বিনিয়োগকারীরা বছরে তিনবার লভ্যাংশ পাবেন। বিশেষজ্ঞদের দিয়ে হিসাব কষা হয়েছে; ‘পাঁচ শ টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতি চার মাসে মাছ বিক্রি থেকে আসবে তিন শ টাকা অর্থাৎ বছরে বারো শ টাকা।’ প্রচারেই প্রসার। দেড় হাজার মানুষ পাঁচ শ টাকা করে জমা দিয়ে মনশাদ উল্লাহ মিয়ার ভাষায় ‘খামারের মালিক’ হয়ে গেলেন। বিনিয়োগ করা টাকার পরিমাণ সাড়ে সাত লাখ।

450ইতোমধ্যে একটা কাণ্ড ঘটে যায়। কড়া মেজাজের এক ব্যক্তি গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে বদলি হয়ে এলেন। অনুমতি না নিয়ে সরকারি পুকুরে মাছ চাষ করছে এমন হিম্মত কী করে হলো? গর্জে ওঠেন তিনি। হুকুম দিলেন, ‘অনধিকার চর্চার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নাও। ডাকো পুলিশ, ধরিয়ে দাও হার্মাদগুলোকে।’ হুকুম বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সেই ফলকটি চুরমার করে দেওয়া হলো, যেই ফলকে লেখা ‘মিয়া মৎস্য খামার’।

শাসকদলীয় রাজনীতিক মনশাদের অনুরাগীদের অন্যতম হেনজু মিয়া ছুটে গিয়েছিলেন খামারে। ফলক বিচূর্ণকরণে লিপ্ত গণপূর্ত কর্মীদের সঙ্গে হেনজু মিয়ার সংলাপ বিনিময়ভিত্তিক কেচ্ছাগুলোর মধ্যে কোনটা সহি আর কোনটা কল্পনাপ্রসূত তা নির্ণয়ের উপায় ছিল না। আমাদের মহল্লার সমাজসেবক রেজাউল করিমের মুখে ঘটনাটির একটি ভাষ্য পেয়েছি। হেনজুর বৈশিষ্ট্য বিষয়ে তিনি যেসব রসালো কথ বলেছিলেন তার সারসংক্ষেপ হচ্ছে ‘হাস্যমুখে দাস্যসুখে বিনিত জোড় কর/প্রভূপদে সোহাগ মদে দোদুল কলেবর।’

‘আস্পর্ধার একটা লিমিট থাকন দরকার।’ বলেন, হেনজু মিয়া, আমনে গো নতুন সাবরে ভূতে কামড়াইছে মনে অয়। মনশাদ মিয়া সাবের হাত কত লম্বা উনি যদি জানতেন তাইলে সাইনবোর্ড ভাঙন দূর কথা। সাইনবোর্ডের ছায়ার কাছেও আমনেগোরে আসতে কইতেন না। এখন যান, ফিররা যান। খামারের অফিসঘরে শাবল চালাইয়া নিজেগো জিন্দেগি বরবাদ কইরেন না।’ গণপূর্ত কর্মীরা বলে, ‘একজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সাব পাঁচ মিনিটের মধ্যে আইসা পড়তেছেন। উনার সামনে পড়লে আমনের জিন্দেগি ফর্দাফাই হয়ে যাবে।’ হেনজু রুষ্টকণ্ঠে বলেন, ‘মনশাদ মিয়ার হাত কত লম্বা ...।’ গণপূর্ত কর্মীদের সর্দার বলেন : এইটা তো দেখি পাগলের ওস্তাদ পাটনাই ছাগল! নিজেদের গর্দান যাওয়ার জোগাড়, তারপরও মিয়ার হাত মিয়ার হাত করতাছে।

মিয়াদের হাত লম্বা হওয়াই নিয়ম। সাহেবদের হাতও লম্বা। অনেক লম্বা সেই হাত লগির উচ্চতা ধারণ করে। ডগায় থাকে আঁকশি, যা দিয়ে টান মেরে বশীভূত করতে হয়। সেই আঁকশিতে নিজেকে সমর্পিত করেছিলেন সদ্য-প্রাক্তন নির্বাহী প্রকৌশলী (একজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার)। গভর্নরের ছোট ভাইতুল্য রাজনীতিকের আনুগত্য স্বীকার করেছিলেন তিনি। তাই বলতেন, মানুষের উপকারের জন্য মাছ খামার গড়েছেন মনশাদ। সবার উচিত এই লিডারের সঙ্গে সহযোগিতা করা। রেজাউল করিমের মতো দুষ্টজনরা এই প্রস্তাবের জবাবে বলেছে, এই উপকারের ভিতরে ঘাপটি মেরে আছে অন্ধকার।

সাড়ে সাত লাখ টাকা যারা বিনিয়োগ করেছে, তারা কতটুকু উপকার পেয়েছে, তা কয়েক দিনের মধ্যে সবাই জেনে গেল। কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা এক গল্পে আছে- অনটনগ্রস্ত পরিবারের কর্তা সারা দিন বাইরে কাটিয়ে ঘরে ফিরলে রোগে কাতর শয্যাশায়ী উদ্বিগ্ন স্ত্রী বলে, টাকা এনেছ টাকা? কর্তা বলল, না। আমি তোমার জন্য একবুক হতাশা এনেছি। মিয়া মৎস্য খামারের বিনিয়োগকারীরা পেয়েছে একবুক হতাশা।

বিনিয়োগকারীদের কয়েকজন প্রতারণার মামলা ঠুকেছিলেন মনশাদ উল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তারও হয়েছেন। হাত লম্বা হওয়ায় জামিনে মুক্তি পেয়ে যান তিনি। সরকারি সম্পত্তি জবরদখল করে মাছের খামার করার অভিযোগে মামলার আসামি হওয়ার পর তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী বাসেতকে কত ধানে কত চাল তা বুঝিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। হুমকিটা যে কথার কথা না, তা প্রমাণের জন্য রাজধানীতে গিয়ে অনেক খরচও করেন। ফলোদয় হলো না। কিন্তু কেন?

প্রশ্নের উত্তর সন্ধানে অনেক মেহনত করেন হেনজু মিয়া। সমাজসেবক রেজাউল জানান, লম্বা হাতবিশিষ্ট মনিবের সামনে মৌখিক প্রতিবেদন পেশকালে ইঞ্জিনিয়ার সাবেতকে স্ত্রীর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার পুত্র জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা (সুমুন্দির পুত সুমুন্দি) বলে উল্লেখ করেন হেনজু। বলেন, এই জাউরার হাত আমনের হাতের তুনো লম্বা। হ্যাতার খালতো বইনের জামাই মিনিস্টার। যে সেই মিনিস্টার না। ইম্পটেন মিনিস্টার। গভর্নর পেসিডেনরেও নাকি পাত্তা দেয় না।

‘কাজেই নিরাপত্তার স্বার্থে কত ধানে কত চাল বুঝিয়ে দেওয়ার প্রোগ্রাম বাতিল করা উত্তম’ বুদ্ধি দেন হেনজু, ‘নইলে ওরকম প্রোগ্রাম আঙ্গো বিরুদ্ধে শুরু কইরা দিতে পারে।’ খাঁটি কথা বলেছেন হেনজু। শক্তের ভক্ত নরমের যম- এই প্রবচন শুধু হেনজু মিয়া নন, আমরা যারা নিজেদের মধ্যবিত্ত পংক্তির ভদ্র সন্তান বলে জাহির করি, তাদেরও মান্য নীতি। দুর্বলের বিরুদ্ধে সিংহের মতো গর্জে ওঠা আর শক্তিমানের সমর্থনে নতজানু হওয়ার ঐতিহ্য বহন করছে আমাদের সমাজ। চণ্ডশক্তির অবর্তমানে তাকে শূলে চড়ানোর অঙ্গীকার করি আমরা। আবার চণ্ডশক্তির মুখোমুখি হলে তাকে করি কুর্নিশ।

উনিশ শ একাত্তরে গণবিরোধী ভূমিকা নিয়েছিলেন মনশাদ। মুক্তিবাহিনীকে ‘মুরগি বাহিনী’ বলে গালি দিতেন। বলতেন, পাকিস্তানের সোলজার হইল গিয়া ওয়ার্ল্ডের বেস্ট সোলজার। এই সোলজারের সঙ্গে ফাইট দেওয়া মুরগি বাহিনীর কাম না। ফাইট দিতে আইলে মুরগি মুসাল্লাম হইয়া যাবে য়্যা! নভেম্বরের শুরুতে মুক্তিবাহিনী শহরের পূর্ব প্রান্তের কাছাকাছি এসে অবস্থান নেয়। প্রতিটি রাতে ওরা ফাঁকা গুলির আওয়াজ করে। ভয়ে ক্যাম্প ফেলে চম্পট দেয় রাজাকাররা। রটনা আছে, তখন পাড়াতুতো ভাতিজা মবজলের পরামর্শে গা-ঢাকা দেন মনশাদ ও তার পারিষদরা।

জানা গেছে, মবজল যার প্রকৃত নাম মোফাজ্জল হোসেন ‘পরামর্শ’ দেয়নি, ভয় দেখিয়েছে। বলেছে, চাচা এলাহি কারবার দেখলাম। রেললাইনের পূর্ব দিকে হাই স্কুল দখল কইরা ক্যাম্প বানাইছে মুক্তিবাহিনী। কয়েক হাজার মুক্তি কিলবিল করতেছিল। আমারে দেইখা পাকিস্তানি স্পাই সন্দেহ করল। কাছে ডাইকা নিয়া জিগায়, বাড়ি কই? এলাকার নাম কইলে কয়, শুয়োরের বাচ্চা মনশাইদ্দারে চিন? কইলাম, চিনুম না কেন! আমগো বাড়ির তিন বাড়ি পরই হ্যাগো বাড়ি। মনশাদ বলেন, ‘খাইছস আমারে!’

মনশাদ দ্রুত এলাকা ছাড়েন। আমরা মবজলের কাছে জানতে চেয়েছি, উনি কোথায় গেলেন? সে বলে, শুনছি ওয়ার্ল্ডের বেস্ট সোলজাররা কুমিল্লায় পলানোর সময় হ্যাগো জিপে উঠবার চেষ্টা করতেছিলেন। একটা সোলজার লাত্থি মাইরা ফালাই দিছে। পাকা রাস্তায় চিৎ হইয়া পড়ছে। মাথায় চোট খাইছে। ব্যস্ ওফাত হইয়া গেল। ভালোই হইছে। মুক্তিরা পাইলে তো গুলিতে উনারে ফালাফালা কইরা দিত। কী কন্ দিত না?

পরের ধন আপন করে নেওয়ার সফল সাধক তো শুধু মনশাদ একা নন। তস্করবৃত্তির এই লোকরা নিপুণ হাতে ফাঁদ পাতে আর শিকার করে। তারা আলো দেখায়। আশার আলো। দ্রুত লাভবান হওয়ার জন্য উতলা মানুষ ভাবে, উপকৃত হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করব কেন? কিন্তু অচিরেই তারা উপলব্ধি করে, উপকারের ছদ্মবেশে জীবনটাকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করার আয়োজন ছিল ওটা।

এ বিষয়ে সুফি সাধক ইমাম গাজ্জালি বর্ণিত গল্পটি স্মরণীয়। ফজরের আজান শোনার পর নামাজ পড়তে মসজিদে রওনা দেন ধর্মভীরু এক ব্যক্তি।  অন্ধকার থাকায় তিনি দেখতে পাননি যে বৃষ্টিতে ভিজে গেছে পথ। পিছলিয়ে কাদায় পড়ে যান তিনি। পরনের কাপড় ময়লা হয়ে গেল। নতুন পোশাক পরতে বাড়ি ফিরে গেলেন। পরিষ্কার জামাকাপড় পরে ফের তিনি রওনা দেন মসজিদে। পথিমধ্যে আবার আছাড় খেয়ে পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। নতুন কাপড় পরে আবার মসজিদমুখো হলেন সেই মুসল্লি। মসজিদের অদূরে পৌঁছতেই আছাড় খাওয়ার উপক্রম। তিনি চিৎপাত হওয়ার আগেই একটা লোক তাকে ধরে ফেলে। সেই লোকের হাতে লন্ঠন। লোকটা বলে, চলুন। আলোর পথ দেখে দেখে হাঁটুন।

‘উপকার করলে বাবা। তোমায় ধন্যবাদ।’ বলেন মুসল্লি। লোকটি বলে, ‘আমি আপনার কোনো উপকার করিনি। করেছি নিজের উপকার।’ মুসল্লি বলেন, ‘তুমি কে গো বাবা।’ লোকটা বলে, আমি ইবলিস। আপনি প্রথমবার পড়ে যেতেই আল্লাহ আপনার জীবনের সব গুনাহ মাফ করে দেন। দ্বিতীয়বার পড়ে গেলে আপনার পড়শিদের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়। তৃতীয়বার যদি পড়ে যেতেন তাহলে আল্লাহ আপনার মহল্লার সবার গুনাহ মাফ করে দিতেন। আমার চোখের সামনে এত লোকের উপকার! তা কি আমি হতে দিতে পারি?

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৬ মিনিট আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১৭ মিনিট আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৩৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৫০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা