শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫

টিউশনি করার দিনগুলো

ইমদাদুল হক মিলন
প্রিন্ট ভার্সন
টিউশনি করার দিনগুলো

সূত্রাপুর বাজারের পশ্চিম পাশের সরু একটা গলি। শেষ বিকালে সেই গলির অতি পুরনো একতলা একটা বাড়িতে আব্বা আমাকে নিয়ে গেছেন। এ বাড়ির ক্লাস টুতে পড়া মেয়েটিকে পড়াতে হবে। ৬৯ সালের কথা। আমি ক্লাস নাইনে পড়ি। যে ভদ্রলোকের মেয়েকে পড়াতে হবে তিনি ছোট একজন ব্যবসায়ী। সূত্রাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা। বাড়ির লোকজন ঢাকাইয়া ভাষায় কথা বলে। ভদ্রলোক আব্বার পরিচিত। আমাকে বেতন দেওয়া হবে ১০ টাকা। গভীর আগ্রহ নিয়ে জীবনের প্রথম টিউশনি শুরু করলাম। শিক্ষক ক্লাস নাইনের ছাত্র। ছাত্রী ক্লাস টু। বিকালবেলা পড়াতে যাই। সন্ধ্যায় ফিরে আসি। নিজের পড়াশোনা আছে। গেন্ডারিয়া হাইস্কুলের সায়েন্সের ছাত্র। পড়াশোনায় মোটামুটি ভালো। স্যাররা বিশেষ নজরে দেখেন। ভালোবাসেন। স্কুলে ফুল ফ্রি। বেতন দিতে হয় না। আব্বার চাকরি নেই। কষ্টের দিন। টিউশনি করে ১০ টাকা রোজগার করতে পারলে নিজের পয়সায় খাতাপত্র কিনতে পারব। আব্বার ওপর চাপ পড়বে না। আমার বড় ভাই এসএসসি পাস করেছে। নাইট শিফটে জগন্নাথে পড়ে। সে-ও টিউশনি করে। স্কুল থেকে ফিরে চলে যেতাম টিউশনিতে। আমার খুব খিদে পেত। ছাত্রীর বাড়িতে কখনো কখনো এক কাপ চা আর একটা টোস্ট বিস্কুট দিত। কখনো কখনো এক টুকরো আমের মোরব্বা। খুবই আগ্রহ নিয়ে খেতাম। দেখতে দেখতে মাস শেষ হয়ে গেল। কিন্তু বেতনের ১০টা টাকা আর দেয় না। রোজ টিউশনিতে যাই। রোজই ভাবি আজ টাকাটা পাব। টাকা আর পাই না। আব্বাকে বললাম। তিনি বললেন, চাইতে হবে তো। পরদিন চাইলাম। ভদ্রলোক যেন আকাশ থেকে পড়লেন। টাকা দিতে হবে? ব্যাপারটার আগামাথা আমি কিছুই বুঝলাম না। আব্বা তো বলেছেন ১০ টাকা করে পাওয়া যাবে। তাহলে? ভদ্রলোক ভেবেছেন, পরিচিত লোকের ছেলে, মাগনাই তাঁর মেয়েকে পড়াবে? এ নিয়ে কি আব্বার সঙ্গে তাঁর কোনো কথা হয়নি? না হয়ে থাকলে ১০ টাকার কথা আব্বা আমাকে বলবেন কেন? ভদ্রলোক কি ইচ্ছা করেই এমন করছেন? দু-তিন দিন পর ১০টা টাকা তিনি আমাকে দিলেন। জীবনে সেই আমার প্রথম রোজগার। কী যে আনন্দিত হয়েছিলাম! বছরখানেক সেই মেয়েটিকে আমি পড়িয়েছি। গেন্ডারিয়ার রজনী চৌধুরী রোডে থাকি। স্কুল থেকে ফিরেই টিউশনিতে চলে যাই। ঘণ্টাখানেক মেয়েটিকে পড়াই। তত দিনে আরেকটা টিউশনি পেয়েছি। এ ভদ্রলোকও আব্বার পরিচিত। লোহারপুলের পশ্চিম দিককার ঢালের গলির ভিতর বাড়ি। নাম শামসুদ্দিন। ওই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। অত্যন্ত সজ্জন মানুষ। মিউনিসিপ্যালিটিতে কন্ট্রাক্টরি করেন। অবস্থা ভালো। তাঁর মেয়েটি পড়ে ক্লাস থ্রিতে। পড়াতে হবে সকালবেলায়। বেতন ১৫ টাকা। আমাদের বাসার বেশ কাছে। আমি উঠি ভোর ৫টার দিকে। নিজের পড়া শেষ করে নাশতা করে চলে যাই ছাত্রী পড়াতে। ফিরে এসে যাই স্কুলে। বিকালে বন্ধুরা ধূপখোলা মাঠে খেলতে যায়। আমি যাই টিউশনিতে। ৭০ সাল এলো। পড়ার চাপ অনেক। সামনে এসএসসি পরীক্ষা। সব সামলে টিউশনি দুটো চালিয়ে যাচ্ছি। ওদিকে আমাদের সায়েন্স গ্রুপের প্রত্যেকেই প্রাইভেট পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ প্রিপারেশন নিচ্ছে পরীক্ষার। আমি ইলেকটিভ ম্যাথমেটিকস তেমন বুঝি না। বিষয়টির তুখোড় শিক্ষক ফখরুল স্যার। তিনি থাকেন স্কুলের কাছেই। ছুটির পর তাঁর বাড়িতে গিয়ে ব্যাচে পড়ে বন্ধুরা। আমি পড়ব কেমন করে? মাসে ২০ টাকা করে দিতে হবে। স্যার একদিন বললেন, তুই আসিস না কেন? সমস্যাটা বললাম। শুনে স্যার আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, টাকা দিতে হবে না। আজ থেকেই বাসায় আসবি। আহা রে, গেন্ডারিয়া হাইস্কুলের স্যাররা আমাকে কী ভালো যে বাসতেন! বি. রহমান স্যার ব্যাচে বাংলা পড়াতেন। তিনিও টাকা নিতেন না। আশু স্যার কখনো কখনো আমাদের বাসায় এসে আমাকে পড়িয়ে যেতেন। টাকা দেওয়া তো দূরের কথা, স্যারকে এক কাপ চা-ও খাওয়াতে পারতাম না। আমার ইংরেজি টিচার রউফ স্যার নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে আমার এসএসসির ফরম ফিলাপ করে দিয়েছিলেন। জেনারেল ম্যাথ অনেক দিন স্কুল শেষে আমাদের কয়েকজনকে অতিযত্নে পড়াতেন এ রহমান স্যার। সবাই টাকা দিত। আমি দিতে পারতাম না। স্যার চাইতেনও না। গেন্ডারিয়া হাইস্কুলের সেসব মহান শিক্ষকের ঋণ এক জীবনে শোধ করা যাবে না।

৭০ সালের শেষদিকে মিউনিসিপ্যালিটির চাকরি ফিরে পেলেন আব্বা। প্রায় চার বছর চাকরি ছিল না। সেই চার বছরের পুরো বেতনটা পেয়ে গেলেন। কারণ তাঁকে অবৈধভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। আমাদের কষ্টের দিন শেষ হয়ে এলো। তবে ওই চারটি বছর অতিকষ্টে দিন কেটেছে। নিয়মিত ভাড়া দেওয়া যাচ্ছিল না বলে একের পর এক বাসা বদলাতে হচ্ছিল। মুরগিটোলার বাড়ি থেকে যেতে হয়েছিল রজনী চৌধুরী রোডের বাড়িতে। সেখান থেকে গেন্ডারিয়া স্টেশনের কাছে ডিআইটি প্লটে। ওদিকটায় তখনো তেমন বাড়িঘর হয়নি। পুরো এলাকাটা যেন বিশাল একখানা মাঠ। সেই মাঠের এদিক-ওদিক ছড়ানো ছিটানো দু-চারটা বাড়ি। নতুন নতুন বাড়ি তৈরি হচ্ছে অনেক। স্টেক দেওয়া ইট, রড, বালু পড়ে আছে একেকটা প্লটের সামনে। দিঘির মতো বিশাল একখানা পুকুর আছে। স্টেশনের রাস্তায় কিছু দোকানপাট। ওদিককার এক বাড়িতে থাকা হলো কয়েক মাস। বর্ষাকালটা কেটেছিল সেই বাড়িতে। বড় একটা কামরায় আমরা সবাই থাকতাম। সে বছর বন্যা হলো। ডিআইটি প্লট ডুবে গেল। কোমরপানি ভেঙে চলাচল করতে হয়। আমাদের স্কুলে বন্যার্তদের জন্য আশ্রয়শিবির খোলা হয়েছে। এলাকার লোকজন আর ছাত্ররা মিলে তাদের দেখভাল করছে। রেডক্রসের লোকজন এসে বস্তা বস্তা পাউডার দুধ দিয়ে যেত। বন্ধুদের সঙ্গে আমিও আছি বন্যার্তদের কাজে। মুঠো মুঠো পাউডার দুধ খেতাম। খুবই টেস্টি ছিল জিনিসটা। তখনকার দিনে ওই পাউডার দুধ আমাদের কাছে অতি মহার্ঘ খাবার।

ডিআইটি প্লট থেকে বাসা বদলে যেতে হয়েছিল ঘুণ্টিঘরের ওদিককার মসজিদের উল্টোদিককার গলির ভিতর অতি পুরনো, প্রায় ভেঙে পড়া বিশাল একটা নর্দমার পাশের কাঠাখানেক জমির ওপর একটা বাড়িতে। ছোট ছোট দুটো রুম। ভাপসা গন্ধে ভরা। ওই বাড়িটায় বোধ হয় কয়েক মাস থাকা হয়েছিল। সেখান থেকে যেতে হয়েছিল রেললাইনের ওপারে গ্রামের দরিদ্র বাড়ির মতো একটি বাড়িতে। এক ঘরে থাকার জায়গা হতো না বলে আমি চলে যেতাম মুরগিটোলার পুকুরটির ওপারে আলীদের বাড়িতে। আলীর বাবা একতলা ভারি সুন্দর একটা বাড়ি করেছেন ধোলাইখালের ধারে। আমি রাতে গিয়ে আলীদের বাড়িতে থাকতাম। তার কিছুদিন পরই চাকরি ফিরে পেলেন আব্বা। প্রায় রাতারাতি আমরা ঋণমুক্ত হলাম। সুখের হাওয়া বইতে লাগল সংসারে। রেললাইনের ওপারকার সেই বাড়ি থেকে চলে এলাম সাবেক শরাফতগঞ্জ লেনের একটা বাড়িতে। ৭১ সাল এলো। শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ। আমাদের সুখের সময় বেশি দিন স্থায়ী হলো না। অক্টোবরের ৬ তারিখ সন্ধ্যায় আব্বা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। নার্ভাস ব্রেক ডাউন হয়েছিল। কারণ এক কাবুলিওয়ালা মিলিশিয়া নিয়ে এসেছিল আমাদের গেটে। কাবুলিওয়ালার কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়েছিলেন আব্বা। সেই টাকা সুদসহ পুরোটা শোধ করেছেন। তারপরও লোকটা অতিরিক্ত সুযোগ নেওয়ার লোভে আব্বাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার থ্রেট দিয়ে গেল। আব্বা তখন বাসায় ছিলেন না। ফিরে এসে সব শুনে অসুস্থ হয়ে গেলেন। সেই অবস্থায় বাড়িওয়ালার বড় ছেলে কাশেম ভাইয়ের সহযোগিতায় আমি আর আমার বড় ভাই মিলে একটা বেবিট্যাক্সিতে করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গিয়েছিলাম আব্বাকে। রাত ১টায় তিনি মারা গেলেন। আব্বার মৃত্যুর অনুপুঙ্খ বিবরণ ও তাঁর মৃত্যুর পর ১০টি নাবালক ছেলেমেয়ে নিয়ে আমার মায়ের যে লড়াই সেই লড়াইয়ের কথা লিখেছি একাত্তর ও একজন মা উপন্যাসে।

আব্বা মারা যাওয়ার পর সাবেক শরাফতগঞ্জ লেনের ওই বাড়িটাতেই আমরা রয়ে গিয়েছিলাম। মুক্তিযুদ্ধ তখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। তবে গেন্ডারিয়ার ওদিকটা নিরাপদ ছিল। পাকিস্তানিদের আনাগোনা সেভাবে ছিল না। আমাদের বাড়িওয়ালা ভদ্রলোকের বড় মেয়ের নাম খালেদা বারি। তিনি ডাক্তার। তাঁর স্বামী অত্যন্ত বিনয়ী ভদ্রলোক। খুবই স্নেহপরায়ণ ও দয়ালু। ওই বাড়িতেই থাকতেন। আমাদের পরিবারটির প্রতি বাড়িওয়ালার পরিবারের প্রত্যেকেরই বিশেষ সহানুভূতির দৃষ্টি ছিল। আব্বার মৃত্যু আমাকে খুবই কাতর করে তুলেছিল। চার দিন বাকরুদ্ধ ছিলাম। একটি কথাও বলিনি কারও সঙ্গে। আমার বন্ধু হামিদুল সেই চারটা দিন সারাক্ষণ আমার সঙ্গে। আমাকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছে প্রতিটি মুহূর্ত। তারপরও পিতা হারানোর শোক আমি কিছুতেই কাটাতে পারছিলাম না। খালেদা আপার স্বামীর নাম হানিফ সাহেব। তিনি আমাকে লক্ষ করতেন। চুপচাপ কোথাও বসে থাকি তো বসেই থাকি। যখন-তখন জানালার সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদি। একদিন দুপুরের পর তিনি আমাকে ডাকলেন। আমার মাথায় পিঠে হাত বুলিয়ে গভীর মায়াবী গলায় বললেন, চল আমার সঙ্গে। তোমাকে একটা জায়গায় নিয়ে যাব। তিনি আমাকে নিয়ে এলেন আমাদের সেই পুরনো বাড়ির এলাকা মুরগিটোলায়। মসজিদের উল্টোদিকে হাই সাহেবের তিনতলা বিশাল বাড়ি। হাই সাহেব মুরগিটোলার নামকরা বড়লোক। আরামবাগে তাদের হাই আয়রন ইন্ডাস্ট্রি নামে ইন্ডাস্ট্রি আছে। মুরগিটোলায় থাকার সময় হাই সাহেবের দুই মেয়ের সঙ্গে আমার বোনদের বন্ধুত্ব ছিল। বড় মেয়ের নাম কোকিলা। মেজজনের নাম আঙ্গুরি। হানিফ সাহেব আমাকে সেই বাড়িতে নিয়ে এলেন। তখনো আমি কিছু বুঝতেই পারছি না। আমরা তাঁকে দুলাভাই ডাকি। দুলাভাই আমাকে কেন এ বাড়িতে নিয়ে এসেছেন? সিঁড়ি ভেঙে উঠতে উঠতে তিনি জানালেন, এ বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাটে তাঁর প্রথম স্ত্রী ছেলেমেয়েদের নিয়ে থাকেন। বড় দুই ছেলের বিয়ে হয়েছে। মেয়েদের কারও এখনো বিয়ে হয়নি। বড় মেয়ে ডাক্তারি পড়ছে। কিন্তু এ বাড়িতে আমাকে নিয়ে আসার উদ্দেশ্য কী?

তিনতলায় উঠেই সিঁড়িকোঠা। তারপর অনেকখানি খোলা ছাদ। ছাদ দক্ষিণমুখী। উত্তরদিকটা পূর্বদিকে বাঁক নিয়েছে। সেখানটায় চার কামরার একটা ফ্ল্যাট। আমাকে বসার ঘরে নিয়ে বসানো হলো। অত্যন্ত ছিমছাম পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। পড়ার টেবিল চেয়ার আছে। টেবিলে ক্লাস নাইনের বই। আমাকে চা-বিস্কুট দেওয়া হলো। দুলাভাই ভিতরে চলে গেছেন। আমি বসে আছি একা। বিস্কুট খেয়ে চায়ে চুমুক দিয়েছি। মনের ভিতর নানা প্রশ্নের আনাগোনা। দুলাভাই আমাকে কেন তাঁর এ পরিবারের কাছে নিয়ে এসেছেন? খানিক পরেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম। ভিতরের ঘর থেকে দুলাভাই এসে ঢুকলেন। সঙ্গে তাঁর দুই মেয়ে। সেই মেয়েদের দেখে আমি চোখ ফেরাতে পারি না। অপূর্ব সুন্দর মেয়ে। যেন চাঁদের আলো দিয়ে গড়া হয়েছে তাদের। দুলাভাইও খুব সুন্দর মানুষ। দুই মেয়ের সঙ্গে তিনি পরিচয় করিয়ে দিলেন। তাঁর চতুর্থ ও পঞ্চম মেয়ে। চতুর্থজনের নাম নাসিমা হানফি, পরেরজন ফাতেমা হানফি। মণিজা রহমান গার্লস হাইস্কুলে দুজনই ক্লাস নাইনে পড়ে। তাদের আমার পড়াতে হবে। শুনে আমি হতভম্ব। আমি এসএসসি দেব। প্রকৃত অর্থে ক্লাস টেনের শেষদিককার ছাত্র। এ অবস্থায় একজন ছাত্র পড়াবে ক্লাস নাইনের ছাত্রীদের? বাকরুদ্ধ হয়ে আছি। দুলাভাই বললেন, আমি জানি তুমি লেখাপড়ায় ভালো। অবশ্যই পড়াতে পারবে। আজ থেকেই শুরু কর। আমি যেন অনেকটা বাধ্য হয়েই শুরু করলাম। পড়াতে গিয়ে দেখি ভালোই পারছি সবকিছু। কারণ ক্লাস নাইন আর টেনের তো একই বই। ওরা দুজনই আর্টসের ছাত্রী। বাংলা, ইংরেজি, অঙ্ক, সাধারণ বিজ্ঞান- এগুলো তো আমি পড়েই চলেছি। শুরু হলো আমার নতুন এক টিউশনির জীবন। নাসিমা একটু চুপচাপ, কম কথা বলা মেয়ে। হাসি আনন্দ উচ্ছ্বাসের তেমন প্রকাশ নেই। চাপা স্বভাব। পড়তে গিয়ে কোনোটা না বুঝতে পারলে অপলক চোখে তাকিয়ে থাকে। ফাতেমা বেশ চঞ্চল। চটপটে ভঙ্গিতে কথা বলে। কোনো কিছু না বুঝতে পারলে অবিরাম প্রশ্ন করে। দুজনের কেউই আমাকে স্যার বলে না। আসলে কোনো সম্বোধনই করে না। ধীরে ধীরে এ পরিবারের প্রতিটি মানুষ আমাকে বিশেষ নজরে দেখতে শুরু করলেন। নাসিমা ও ফাতেমার দুই ভাই বিজনেস করেন। ওষুধের দোকান আছে তাঁদের। বড় ভাই পরহেজগার ধরনের মানুষ। কথা বলেন কম। তার পরের ভাই খুবই সুপুরুষ। ভাবিটিও সুন্দরী। তখন ভাইদের সংসারে কোনো বাচ্চাকাচ্চা এসেছে কি না, আমার মনে নেই। একে একে বাড়ির প্রত্যেকের সঙ্গেই পরিচয় হয়েছে। সদ্য পিতৃহারা আমাকে একটু যেন বিশেষ স্নেহের চোখেই দেখতে শুরু করল পরিবারটি। কয়েক দিনের মধ্যেই দেখা হয়ে গেল নাসিমা ও ফাতেমার মায়ের সঙ্গে। এত স্নিগ্ধ সুন্দর পবিত্রতায় ভরা মুখখানি তাঁর! ও রকম মায়ের সামনে দাঁড়ালে আপনা আপনি মাথা নত হয়ে আসে। আমি তাঁকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করেছিলাম। তিনি আমার মাথায় হাত দিয়ে মৃদুকণ্ঠে যে কথাটি বলেছিলেন তা আজও পরিষ্কার মনে আছে। বড় হও বাবা। মানুষের মতো মানুষ হও। কতটা বড় আমি হতে পেরেছি, জানি না। মানুষের মতো মানুষ কতটা হতে পেরেছি, জানি না। তবে সেই মায়ের মায়াবী হাতের স্পর্শখানি আজও আমার মাথায় লেগে আছে।

লেখক : কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১ সেকেন্ড আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

২৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৩৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৩৬ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৫৮ মিনিট আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৫৯ মিনিট আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা